২০২৫-২৬ অর্থ বছরে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় প্যাটার্ন ভিত্তিক সরিষা বোরো ধান রোপন আমন প্রদর্শনী এর মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)।
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ‘তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় এক মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বরাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ‘সরিষা-বোরো ধান-রোপন আমন’ প্যাটার্ন ভিত্তিক প্রদর্শনী উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খামারবাড়ি ঢাকার সরেজমিনে উইংয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ আব্দুল আজিজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মোঃ নজরুল ইসলাম (উপ-পরিচালক, খুলনা) মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন (মনিটরিং অফিসার, পার্টনার প্রকল্প) মোঃ ফরিদুল ইসলাম (প্রকল্প কর্মকর্তা, তেল জাতীয় ফসল প্রকল্প) কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা (উপজেলা কৃষি অফিসার, ডুমুরিয়া)
[caption id="attachment_21222" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজবিডি.কম[/caption]
অনুষ্ঠানে স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় সফল কৃষক-কৃষাণীরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
বক্তারা জানান, ডুমুরিয়ায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে বরাতিয়া গ্রামের কৃষক মেঘনাথ দাসের ‘বারি সরিষা’ চাষ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে এখন হলুদের ঢেউ, যা কৃষকদের চোখেমুখে আনন্দের আভা ফুটিয়ে তুলেছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা জানান, এবার আবহাওয়া সরিষা চাষের জন্য খুবই উপযোগী ছিল।
এ বছর উপজেলার ৯২৩ জন কৃষককে বিনামূল্যে উন্নত বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।
খরচ কম এবং ভালো দাম পাওয়ায় চাষিরা সরিষার দিকে ঝুঁকছেন। মাঘের শেষে বা ফাল্গুনের শুরুতে ক্ষেত থেকে সরিষা তোলা শুরু হবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ডুমুরিয়ার ১৪টি ইউনিয়নে এবার সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫৫৯ হেক্টর। স্থানীয় কৃষকরা জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ সরিষা ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করে পরে বিক্রি করলে আরও অধিক মুনাফা লাভের আশা করছেন তারা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
২০২৫-২৬ অর্থ বছরে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় প্যাটার্ন ভিত্তিক সরিষা বোরো ধান রোপন আমন প্রদর্শনী এর মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)।
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ‘তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় এক মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বরাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ‘সরিষা-বোরো ধান-রোপন আমন’ প্যাটার্ন ভিত্তিক প্রদর্শনী উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খামারবাড়ি ঢাকার সরেজমিনে উইংয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ আব্দুল আজিজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মোঃ নজরুল ইসলাম (উপ-পরিচালক, খুলনা) মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন (মনিটরিং অফিসার, পার্টনার প্রকল্প) মোঃ ফরিদুল ইসলাম (প্রকল্প কর্মকর্তা, তেল জাতীয় ফসল প্রকল্প) কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা (উপজেলা কৃষি অফিসার, ডুমুরিয়া)
[caption id="attachment_21222" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজবিডি.কম[/caption]
অনুষ্ঠানে স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় সফল কৃষক-কৃষাণীরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
বক্তারা জানান, ডুমুরিয়ায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে বরাতিয়া গ্রামের কৃষক মেঘনাথ দাসের ‘বারি সরিষা’ চাষ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে এখন হলুদের ঢেউ, যা কৃষকদের চোখেমুখে আনন্দের আভা ফুটিয়ে তুলেছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা জানান, এবার আবহাওয়া সরিষা চাষের জন্য খুবই উপযোগী ছিল।
এ বছর উপজেলার ৯২৩ জন কৃষককে বিনামূল্যে উন্নত বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।
খরচ কম এবং ভালো দাম পাওয়ায় চাষিরা সরিষার দিকে ঝুঁকছেন। মাঘের শেষে বা ফাল্গুনের শুরুতে ক্ষেত থেকে সরিষা তোলা শুরু হবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ডুমুরিয়ার ১৪টি ইউনিয়নে এবার সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫৫৯ হেক্টর। স্থানীয় কৃষকরা জানান, বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ সরিষা ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করে পরে বিক্রি করলে আরও অধিক মুনাফা লাভের আশা করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন