শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
ঝড়ের দিনে মামার দেশে, আম কুড়াতে সুখ"—পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের সেই চিরচেনা সুখের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে খুলনার ডুমুরিয়ায়। মধুমাস আসতে এখনও মাসখানেক বাকি থাকলেও এরই মধ্যে উপজেলার গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে সোনালী মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ, যা জানান দিচ্ছে গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা।
সরেজমিনে ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও বাগান ঘুরে দেখা গেছে, হরেক রকমের আম গাছের ডালে ডালে ফুটেছে আমের মুকুল। হিমেল হাওয়ায় দুলছে এই মুকুলগুলো, আর মধু সংগ্রহে মৌমাছিরা ভিড় করছে ডালে ডালে। বিশেষ করে গত সপ্তাহের হালকা বৃষ্টির পানি পাওয়ার পর থেকেই গাছে গাছে মুকুল বের হওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছে।
[caption id="attachment_21337" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
উপজেলার বরাতিয়া গ্রামের বাগান মালিক ইমরোজিৎ মল্লিক জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে থেকেই তার বাগানে মুকুল আসতে শুরু করেছে। মুকুলকে রোগবালাই থেকে রক্ষা করতে তারা স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যা করছেন। অন্যদিকে, নার্সারি মালিক নবদ্বীপ মল্লিক জানান, তার নার্সারির অধিকাংশ গাছই এখন মুকুলে ছেয়ে গেছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় আম চাষিরা।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হুদা জানান, আবহাওয়াজনিত কারণে এবার দেশীয় জাতের গাছে কিছুটা আগাম মুকুল দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, “এ সময়ে বিভিন্ন পোকামাকড় মুকুলের ক্ষতি করতে পারে। পোকা দমনে সঠিক নিয়মে বালাইনাশক স্প্রে করলে ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর ফলন অত্যন্ত ভালো হবে বলে আমরা আশা করছি।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
ঝড়ের দিনে মামার দেশে, আম কুড়াতে সুখ"—পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের সেই চিরচেনা সুখের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে খুলনার ডুমুরিয়ায়। মধুমাস আসতে এখনও মাসখানেক বাকি থাকলেও এরই মধ্যে উপজেলার গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে সোনালী মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ, যা জানান দিচ্ছে গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা।
সরেজমিনে ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও বাগান ঘুরে দেখা গেছে, হরেক রকমের আম গাছের ডালে ডালে ফুটেছে আমের মুকুল। হিমেল হাওয়ায় দুলছে এই মুকুলগুলো, আর মধু সংগ্রহে মৌমাছিরা ভিড় করছে ডালে ডালে। বিশেষ করে গত সপ্তাহের হালকা বৃষ্টির পানি পাওয়ার পর থেকেই গাছে গাছে মুকুল বের হওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছে।
[caption id="attachment_21337" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
উপজেলার বরাতিয়া গ্রামের বাগান মালিক ইমরোজিৎ মল্লিক জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে থেকেই তার বাগানে মুকুল আসতে শুরু করেছে। মুকুলকে রোগবালাই থেকে রক্ষা করতে তারা স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যা করছেন। অন্যদিকে, নার্সারি মালিক নবদ্বীপ মল্লিক জানান, তার নার্সারির অধিকাংশ গাছই এখন মুকুলে ছেয়ে গেছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় আম চাষিরা।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হুদা জানান, আবহাওয়াজনিত কারণে এবার দেশীয় জাতের গাছে কিছুটা আগাম মুকুল দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, “এ সময়ে বিভিন্ন পোকামাকড় মুকুলের ক্ষতি করতে পারে। পোকা দমনে সঠিক নিয়মে বালাইনাশক স্প্রে করলে ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর ফলন অত্যন্ত ভালো হবে বলে আমরা আশা করছি।”

আপনার মতামত লিখুন