শীতকালীন রোটা ভাইরাসের সংক্রমণে প্রতিদিনই হাসপাতালে ছুটছেন শত শত মানুষ। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি
জেলা প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা।
চুয়াডাঙ্গায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়ার সংক্রমণ। বিশেষ করে শীতকালীন রোটা ভাইরাসের কবলে পড়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ হাসপাতালে ভিড় করছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি রোগী আসায় তৈরি হয়েছে তীব্র শয্যা সংকট। ফলে অনেক রোগীকে বাধ্য হয়ে কনকনে শীতের মধ্যে হাসপাতালের বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
গত ১০ দিনে সদর হাসপাতালে প্রায় ৪০০ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে শতাধিক রোগী ভর্তি থাকলেও শয্যা না পেয়ে অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। হঠাৎ ঠান্ডা লাগার পর বমি ও পাতলা পায়খানা নিয়ে অভিভাবকরা শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন।
পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় হাসপাতালের বারান্দায় রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এছাড়া সীমিত জনবল (নার্স ও স্বেচ্ছাসেবী) নিয়ে বিপুল সংখ্যক রোগীকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে মাত্র ৯ দিনেই ৩৮০ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন, যা সংক্রমণের তীব্রতা নির্দেশ করে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস জানান, শিশুদের এই ডায়রিয়ার প্রধান কারণ রোটা ভাইরাস। বমি বা পানিশূন্যতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে আসতে হবে। রোগীর সংখ্যা বাড়লেও আমাদের এখানে স্যালাইন বা প্রয়োজনীয় ওষুধের কোনো সংকট নেই।"
তিনি আরও জানান, প্রতিকার পেতে হলে ফুটানো নিরাপদ পানি পান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শীতকালীন রোটা ভাইরাসের সংক্রমণে প্রতিদিনই হাসপাতালে ছুটছেন শত শত মানুষ। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি
জেলা প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা।
চুয়াডাঙ্গায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়ার সংক্রমণ। বিশেষ করে শীতকালীন রোটা ভাইরাসের কবলে পড়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ হাসপাতালে ভিড় করছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি রোগী আসায় তৈরি হয়েছে তীব্র শয্যা সংকট। ফলে অনেক রোগীকে বাধ্য হয়ে কনকনে শীতের মধ্যে হাসপাতালের বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
গত ১০ দিনে সদর হাসপাতালে প্রায় ৪০০ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে শতাধিক রোগী ভর্তি থাকলেও শয্যা না পেয়ে অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। হঠাৎ ঠান্ডা লাগার পর বমি ও পাতলা পায়খানা নিয়ে অভিভাবকরা শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন।
পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় হাসপাতালের বারান্দায় রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এছাড়া সীমিত জনবল (নার্স ও স্বেচ্ছাসেবী) নিয়ে বিপুল সংখ্যক রোগীকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে মাত্র ৯ দিনেই ৩৮০ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন, যা সংক্রমণের তীব্রতা নির্দেশ করে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস জানান, শিশুদের এই ডায়রিয়ার প্রধান কারণ রোটা ভাইরাস। বমি বা পানিশূন্যতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে আসতে হবে। রোগীর সংখ্যা বাড়লেও আমাদের এখানে স্যালাইন বা প্রয়োজনীয় ওষুধের কোনো সংকট নেই।"
তিনি আরও জানান, প্রতিকার পেতে হলে ফুটানো নিরাপদ পানি পান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

আপনার মতামত লিখুন