নজর বিডি
প্রকাশ : বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মধুমতীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: ভাঙনের ঝুঁকিতে শতাধিক পরিবার

মধুমতীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: ভাঙনের ঝুঁকিতে শতাধিক পরিবার

শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নে মধুমতী নদী থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। এতে একদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে


জেলা প্রতিনিধি, মাগুরা।

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নে মধুমতী নদী থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। এতে একদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে নদীপাড়ের শতাধিক পরিবার ও একটি প্রাচীন মন্দির চরম ভাঙনঝুঁকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার একটি প্রভাবশালী চক্র গত দুই মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে এই কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রতিদিন রাত ১১টা থেকে ভোর পর্যন্ত শক্তিশালী ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে বলগেট নৌযানে করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

নদীপাড়ের বাসিন্দা শুকুমার বিশ্বাস ও সুজলা রায় জানান, বাধা দিতে গেলে বালু দস্যুরা গ্রামবাসীদের মারধর ও গালিগালাজ করে। বর্তমানে নদীর তীরের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, "এভাবে চলতে থাকলে আগামী বর্ষায় পুরো এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।"

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ সালেক মূহিদ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশ নিয়ে যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রটি দ্রুত পাশের জেলা ফরিদপুরের সীমানায় পালিয়ে যায়। যেহেতু অভিযুক্তরা অন্য জেলার বাসিন্দা, তাই সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদার করার পাশাপাশি ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


মধুমতীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: ভাঙনের ঝুঁকিতে শতাধিক পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নে মধুমতী নদী থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। এতে একদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে


জেলা প্রতিনিধি, মাগুরা।

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নে মধুমতী নদী থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। এতে একদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে নদীপাড়ের শতাধিক পরিবার ও একটি প্রাচীন মন্দির চরম ভাঙনঝুঁকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার একটি প্রভাবশালী চক্র গত দুই মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে এই কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রতিদিন রাত ১১টা থেকে ভোর পর্যন্ত শক্তিশালী ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে বলগেট নৌযানে করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

নদীপাড়ের বাসিন্দা শুকুমার বিশ্বাস ও সুজলা রায় জানান, বাধা দিতে গেলে বালু দস্যুরা গ্রামবাসীদের মারধর ও গালিগালাজ করে। বর্তমানে নদীর তীরের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, "এভাবে চলতে থাকলে আগামী বর্ষায় পুরো এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।"

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ সালেক মূহিদ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশ নিয়ে যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রটি দ্রুত পাশের জেলা ফরিদপুরের সীমানায় পালিয়ে যায়। যেহেতু অভিযুক্তরা অন্য জেলার বাসিন্দা, তাই সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদার করার পাশাপাশি ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত