কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে
জেলা প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে খোকসা উপজেলার মাশালিয়া বাজারে এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেনের সমর্থকরা ভোট চাইতে গেলে এক ভোটারের মন্তব্য নিয়ে বিএনপির সমর্থকদের সাথে উত্তজনা সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধ মীমাংসায় বুধবার সকালে মাশালিয়া বাজারে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশে মীমাংসা হয়ে যাওয়ার পরপরই হঠাৎ উভয় পক্ষের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
জয়ন্তীহাজরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সালিশের পর জামায়াত কর্মীরা লাঠি, হাতুড়ি ও কুড়াল নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তাদের কর্মী রিন্টু, তুহিন ও নিজাম উদ্দিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আকমল হোসেন পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, মিটিং শেষে কুশল বিনিময়ের সময় বিএনপির কর্মীরাই আগে হামলা করেছে। এতে তাদের ৩ জন কর্মী আহত হয়েছেন। কোনো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে
জেলা প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে খোকসা উপজেলার মাশালিয়া বাজারে এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেনের সমর্থকরা ভোট চাইতে গেলে এক ভোটারের মন্তব্য নিয়ে বিএনপির সমর্থকদের সাথে উত্তজনা সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধ মীমাংসায় বুধবার সকালে মাশালিয়া বাজারে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশে মীমাংসা হয়ে যাওয়ার পরপরই হঠাৎ উভয় পক্ষের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
জয়ন্তীহাজরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সালিশের পর জামায়াত কর্মীরা লাঠি, হাতুড়ি ও কুড়াল নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তাদের কর্মী রিন্টু, তুহিন ও নিজাম উদ্দিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আকমল হোসেন পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, মিটিং শেষে কুশল বিনিময়ের সময় বিএনপির কর্মীরাই আগে হামলা করেছে। এতে তাদের ৩ জন কর্মী আহত হয়েছেন। কোনো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন