বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় নির্ধারিত সময়ে স্কুল ছুটি দিয়ে শিক্ষকরা চলে যান। এরপর টানা তিনদিন স্কুল বন্ধ ছিল।
জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে লক্ষ্মীপুরে একের পর এক বিতর্কিত ও নাশকতামূলক ঘটনা ঘটে চলেছে। জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আগুন এবং অবৈধ ভোটের সিল তৈরির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ভোটকেন্দ্র থেকে সিসি ক্যামেরা চুরির চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ছিলাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। গত ২ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হলেও বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক বা ক্যামেরা উদ্ধার করতে পারেনি।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গত ২২ জানুয়ারি ওই কেন্দ্রে তিনটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। ২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার): স্কুল ছুটি হওয়ার পর তিন দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়। ০২ ফেব্রুয়ারি (সোমবার): শিক্ষকরা স্কুলে ফিরে দেখেন, নিচতলায় স্থাপিত তিনটি ক্যামেরার মধ্যে দুটি উধাও।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম জানান, "ক্যামেরাগুলো চুরির বিষয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে, কিন্তু এখনো কোনো অগ্রগতি নেই।"
সিসি ক্যামেরা চুরির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে:
জামায়াত নেতা মহসিন কবির মুরাদ বলেন, এটি সুষ্ঠু নির্বাচন নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। নির্বাচনের পথে এটি বড় বাধা।
বিএনপি নেতা হাসিবুর রহমান হাসিব অভিযোগ করেন, ভোট কারচুপি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশ্যেই সিসি ক্যামেরা সরিয়ে ফেলা হয়েছে যাতে কোনো প্রমাণ না থাকে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং স্থানীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। অন্যদিকে, সিসি ক্যামেরা চুরির বিষয়ে বক্তব্য জানতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে সিসি ক্যামেরা চুরির এই ঘটনা ভোটারদের মনে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় নির্ধারিত সময়ে স্কুল ছুটি দিয়ে শিক্ষকরা চলে যান। এরপর টানা তিনদিন স্কুল বন্ধ ছিল।
জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে লক্ষ্মীপুরে একের পর এক বিতর্কিত ও নাশকতামূলক ঘটনা ঘটে চলেছে। জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আগুন এবং অবৈধ ভোটের সিল তৈরির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ভোটকেন্দ্র থেকে সিসি ক্যামেরা চুরির চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ছিলাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। গত ২ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হলেও বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক বা ক্যামেরা উদ্ধার করতে পারেনি।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গত ২২ জানুয়ারি ওই কেন্দ্রে তিনটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। ২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার): স্কুল ছুটি হওয়ার পর তিন দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়। ০২ ফেব্রুয়ারি (সোমবার): শিক্ষকরা স্কুলে ফিরে দেখেন, নিচতলায় স্থাপিত তিনটি ক্যামেরার মধ্যে দুটি উধাও।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম জানান, "ক্যামেরাগুলো চুরির বিষয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে, কিন্তু এখনো কোনো অগ্রগতি নেই।"
সিসি ক্যামেরা চুরির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে:
জামায়াত নেতা মহসিন কবির মুরাদ বলেন, এটি সুষ্ঠু নির্বাচন নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। নির্বাচনের পথে এটি বড় বাধা।
বিএনপি নেতা হাসিবুর রহমান হাসিব অভিযোগ করেন, ভোট কারচুপি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশ্যেই সিসি ক্যামেরা সরিয়ে ফেলা হয়েছে যাতে কোনো প্রমাণ না থাকে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং স্থানীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। অন্যদিকে, সিসি ক্যামেরা চুরির বিষয়ে বক্তব্য জানতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে সিসি ক্যামেরা চুরির এই ঘটনা ভোটারদের মনে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন