বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ায় মো. আলম হোসেন (৬২) নামের এক সাবেক ইউপি সদস্যকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে
জেলা প্রতিনিধি, বাগেরহাট
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় এক লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মো. আলম হোসেন (৬২) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে ও মারধর করে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফুলতলা গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত আলম হোসেন কচুয়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলম হোসেন জানান, গোপালপুর ইউনিয়ন শ্রমিকদলের নেতা দাবিদার জামাল শেখ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় জামাল তাকে বিভিন্ন সময় হুমকিও দেন।
আলম হোসেন বলেন, "শুক্রবার সকালে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় জামাল শেখ দলবল নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা আমাকে কুপিয়ে হাত ও পায়ে গুরুতর জখম করে। জামাল শুধু আমার কাছেই নয়, এলাকার আরও অনেকের কাছেই এভাবে চাঁদা দাবি করে আসছে।"
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে শ্রমিকদল নেতা জামাল শেখ বলেন, "আলম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। সকালে আমরা ধানের শীষের মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় বিপুল লোক দেখে আলম ভয় পেয়ে দৌঁড়ে পালাতে যান। এ সময় পড়ে গিয়ে তিনি আহত হয়েছেন। আমি তার কাছে কোনো চাঁদা দাবি করিনি।"
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, "ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত এজাহার দিলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"
নির্বাচনী আমেজের মধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখতে পুলিশ যেন কঠোর ভূমিকা পালন করে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ায় মো. আলম হোসেন (৬২) নামের এক সাবেক ইউপি সদস্যকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে
জেলা প্রতিনিধি, বাগেরহাট
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় এক লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মো. আলম হোসেন (৬২) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে ও মারধর করে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফুলতলা গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত আলম হোসেন কচুয়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলম হোসেন জানান, গোপালপুর ইউনিয়ন শ্রমিকদলের নেতা দাবিদার জামাল শেখ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় জামাল তাকে বিভিন্ন সময় হুমকিও দেন।
আলম হোসেন বলেন, "শুক্রবার সকালে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় জামাল শেখ দলবল নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা আমাকে কুপিয়ে হাত ও পায়ে গুরুতর জখম করে। জামাল শুধু আমার কাছেই নয়, এলাকার আরও অনেকের কাছেই এভাবে চাঁদা দাবি করে আসছে।"
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে শ্রমিকদল নেতা জামাল শেখ বলেন, "আলম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। সকালে আমরা ধানের শীষের মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় বিপুল লোক দেখে আলম ভয় পেয়ে দৌঁড়ে পালাতে যান। এ সময় পড়ে গিয়ে তিনি আহত হয়েছেন। আমি তার কাছে কোনো চাঁদা দাবি করিনি।"
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, "ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত এজাহার দিলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"
নির্বাচনী আমেজের মধ্যে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখতে পুলিশ যেন কঠোর ভূমিকা পালন করে।

আপনার মতামত লিখুন