মোহন আলী নামে এক ব্যক্তির গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। সকালে রূপসা উপজেলার জয়পুর গ্রামে নিহত ওই ব্যক্তির ঘরের বিছানা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রূপসা উপজেলার জয়পুর গ্রামে নিজ ঘরের বিছানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম পুতুল পলাতক রয়েছেন।
নিহত মোহন আলী ডুমুরিয়ার কৈয়া বাজারে একটি মিষ্টির দোকানের কারিগর ছিলেন। তার ছেলে শিমুল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরে মোহন আলী ও তার স্ত্রী পাশের ঘরে ঘুমান।
ভোরবেলা শিমুলকে ডেকে ঘরের দরজা খোলা রাখতে বলে হোসনেয়ারা বেগম পুতুল তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে যান। পরবর্তীতে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুলাভাইয়ের চিৎকার শুনে শিমুল ঘরে গিয়ে তার বাবার রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পান।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা কুড়াল জব্দ করা হয়েছে।
নিহতের ছেলে শিমুলের দাবি, তার মা প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড় নিয়ে পালিয়ে গেছেন এবং তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
রূপসা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর রাজ্জাক জানান প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের স্ত্রী এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক। হত্যার সঠিক কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মোহন আলী নামে এক ব্যক্তির গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। সকালে রূপসা উপজেলার জয়পুর গ্রামে নিহত ওই ব্যক্তির ঘরের বিছানা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রূপসা উপজেলার জয়পুর গ্রামে নিজ ঘরের বিছানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম পুতুল পলাতক রয়েছেন।
নিহত মোহন আলী ডুমুরিয়ার কৈয়া বাজারে একটি মিষ্টির দোকানের কারিগর ছিলেন। তার ছেলে শিমুল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরে মোহন আলী ও তার স্ত্রী পাশের ঘরে ঘুমান।
ভোরবেলা শিমুলকে ডেকে ঘরের দরজা খোলা রাখতে বলে হোসনেয়ারা বেগম পুতুল তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে যান। পরবর্তীতে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুলাভাইয়ের চিৎকার শুনে শিমুল ঘরে গিয়ে তার বাবার রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পান।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা কুড়াল জব্দ করা হয়েছে।
নিহতের ছেলে শিমুলের দাবি, তার মা প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড় নিয়ে পালিয়ে গেছেন এবং তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
রূপসা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর রাজ্জাক জানান প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের স্ত্রী এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক। হত্যার সঠিক কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন