ভোট দেওয়া বিষয় নিয়ে মসজিদের ভেতরে তর্কের জেরে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে হামলা হয়েছে। এতে ১২ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ....
জেলা প্রতিনিধি, ফরিদপুর
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে রামকান্তপুর গ্রামে এই সংঘর্ষে ১২ জন আহত এবং ৬টি বাড়িঘর ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে জুমার নামাজের সময় রামকান্তপুর গ্রামের একটি মসজিদে ভোট দেওয়া নিয়ে বিএনপি সমর্থক কুদ্দুস তালুকদার ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের রবিউল তালুকদারের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। নামাজ শেষে উভয় পক্ষ মসজিদের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
সংঘর্ষে মো. ওয়াদুদ তালুকদার (৫০), টিটুল তালুকদার (৩০), মুসা কাজী (৫০), রয়েল কাজী (৩০) সহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালীন ৬টি বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।
ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান: এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত। তবে শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোট দেওয়া বিষয় নিয়ে মসজিদের ভেতরে তর্কের জেরে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে হামলা হয়েছে। এতে ১২ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ....
জেলা প্রতিনিধি, ফরিদপুর
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে রামকান্তপুর গ্রামে এই সংঘর্ষে ১২ জন আহত এবং ৬টি বাড়িঘর ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে জুমার নামাজের সময় রামকান্তপুর গ্রামের একটি মসজিদে ভোট দেওয়া নিয়ে বিএনপি সমর্থক কুদ্দুস তালুকদার ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের রবিউল তালুকদারের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। নামাজ শেষে উভয় পক্ষ মসজিদের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
সংঘর্ষে মো. ওয়াদুদ তালুকদার (৫০), টিটুল তালুকদার (৩০), মুসা কাজী (৫০), রয়েল কাজী (৩০) সহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালীন ৬টি বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।
ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান: এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত। তবে শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।"

আপনার মতামত লিখুন