দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামে হাওলাদার বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে
জেলা প্রতিনিধি, বরিশাল ।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের প্রায় ১ কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুরে মজিবুর হাওলাদারের ঘর থেকে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পার্শ্ববর্তী শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তীব্রতার কারণে ব্যর্থ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ ঘরগুলোর যাবতীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আরিফ জানান, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে বাড়ির ভেতরের রাস্তা অত্যন্ত সরু হওয়ায় অগ্নিনির্বাপক গাড়ি প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পাশের পুকুরের পানি ব্যবহার করে আগুন নেভাতে হয়েছে, যার ফলে নিয়ন্ত্রণে কিছুটা দেরি হয়। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন। সর্বস্ব হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর অবস্থায় রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামে হাওলাদার বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে
জেলা প্রতিনিধি, বরিশাল ।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের প্রায় ১ কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুরে মজিবুর হাওলাদারের ঘর থেকে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পার্শ্ববর্তী শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তীব্রতার কারণে ব্যর্থ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ ঘরগুলোর যাবতীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আরিফ জানান, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে বাড়ির ভেতরের রাস্তা অত্যন্ত সরু হওয়ায় অগ্নিনির্বাপক গাড়ি প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পাশের পুকুরের পানি ব্যবহার করে আগুন নেভাতে হয়েছে, যার ফলে নিয়ন্ত্রণে কিছুটা দেরি হয়। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন। সর্বস্ব হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর অবস্থায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন