কক্সবাজারের উখিয়ায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ের পিঁড়িতে বসার হাত থেকে রক্ষা করেছে উপজেলা প্রশাসন। কনে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আয়োজনের খবর
জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার
কক্সবাজারের উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের সময়োচিত পদক্ষেপে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ১৪ বছরের এক কিশোরী। বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হলেও অপ্রাপ্তবয়স্ক কনের খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী গ্রামে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, থাইংখালী গ্রামে ওই কিশোরীর বাড়িতে বিয়ের ধুমধাম আয়োজন চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে উপস্থিত হন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে বিয়ের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
বাল্যবিবাহের আয়োজন করার অপরাধে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ অনুযায়ী কিশোরীর বাবাকে নগদ ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা।
তিনি জানান, জরিমানার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না মর্মে কনের পরিবারের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। একই সাথে উপস্থিত পাত্রপক্ষকেও কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা নজরবিডিকে জানান, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রতিটি কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এই সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ের পিঁড়িতে বসার হাত থেকে রক্ষা করেছে উপজেলা প্রশাসন। কনে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আয়োজনের খবর
জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার
কক্সবাজারের উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের সময়োচিত পদক্ষেপে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ১৪ বছরের এক কিশোরী। বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হলেও অপ্রাপ্তবয়স্ক কনের খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী গ্রামে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, থাইংখালী গ্রামে ওই কিশোরীর বাড়িতে বিয়ের ধুমধাম আয়োজন চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে উপস্থিত হন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে বিয়ের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
বাল্যবিবাহের আয়োজন করার অপরাধে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ অনুযায়ী কিশোরীর বাবাকে নগদ ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা।
তিনি জানান, জরিমানার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না মর্মে কনের পরিবারের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। একই সাথে উপস্থিত পাত্রপক্ষকেও কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা নজরবিডিকে জানান, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রতিটি কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এই সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন