প্রতিদিনই বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন বাগানে। টিউলিপের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীরাও হচ্ছেন আর্থিকভাবে লাভবান
জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়:
হিমালয়ের কোল ঘেঁষা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় পঞ্চমবারের মতো ফুটেছে ভিনদেশি রাজসিক ফুল টিউলিপ। উপজেলার দর্জিপাড়া এলাকায় সীমান্ত সংলগ্ন বাগানে এখন রঙিন ফুলের সমারোহ। শীতপ্রধান দেশের এই ফুল দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন শত শত দর্শনার্থী।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও-র উদ্যোগে ১০ জন নারী উদ্যোক্তার মাধ্যমে প্রায় ৬০ শতক জমিতে এই খামারভিত্তিক টিউলিপ বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। বাগানে এবার লালিবেলা, ডেনমার্ক, স্ট্রং গোল্ড ও মিস্টিক ভ্যান ইজকসহ পাঁচ রঙের প্রায় ১৪ হাজার টিউলিপ ফুটেছে। নেদারল্যান্ডস থেকে আমদানিকৃত এই ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীরা ৫০ টাকা প্রবেশমূল্য দিয়ে বাগানে প্রবেশ করছেন। প্রতিটি ফুলের স্টিক বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।
উদ্যোক্তারা জানান, ২০২২ সালে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া এই চাষ এখন স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলছে। ইএসডিও-র প্রশিক্ষণে নারীরা এখন স্বাবলম্বী হচ্ছেন। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান জানান, ক্ষুদ্র চাষিদের আয় বৃদ্ধি ও পঞ্চগড়কে একটি শক্তিশালী পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।
ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকছে বাগান প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থীরা বলছেন, আগে মোবাইল বা টিভিতে দেখা এই ফুল সরাসরি দেখে তারা অভিভূত। প্রতিকূল আবহাওয়ার চ্যালেঞ্জ জয় করে টিউলিপের এই চাষ তেঁতুলিয়ার পর্যটনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতিদিনই বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন বাগানে। টিউলিপের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীরাও হচ্ছেন আর্থিকভাবে লাভবান
জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়:
হিমালয়ের কোল ঘেঁষা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় পঞ্চমবারের মতো ফুটেছে ভিনদেশি রাজসিক ফুল টিউলিপ। উপজেলার দর্জিপাড়া এলাকায় সীমান্ত সংলগ্ন বাগানে এখন রঙিন ফুলের সমারোহ। শীতপ্রধান দেশের এই ফুল দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন শত শত দর্শনার্থী।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও-র উদ্যোগে ১০ জন নারী উদ্যোক্তার মাধ্যমে প্রায় ৬০ শতক জমিতে এই খামারভিত্তিক টিউলিপ বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। বাগানে এবার লালিবেলা, ডেনমার্ক, স্ট্রং গোল্ড ও মিস্টিক ভ্যান ইজকসহ পাঁচ রঙের প্রায় ১৪ হাজার টিউলিপ ফুটেছে। নেদারল্যান্ডস থেকে আমদানিকৃত এই ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীরা ৫০ টাকা প্রবেশমূল্য দিয়ে বাগানে প্রবেশ করছেন। প্রতিটি ফুলের স্টিক বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।
উদ্যোক্তারা জানান, ২০২২ সালে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া এই চাষ এখন স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলছে। ইএসডিও-র প্রশিক্ষণে নারীরা এখন স্বাবলম্বী হচ্ছেন। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান জানান, ক্ষুদ্র চাষিদের আয় বৃদ্ধি ও পঞ্চগড়কে একটি শক্তিশালী পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।
ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকছে বাগান প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থীরা বলছেন, আগে মোবাইল বা টিভিতে দেখা এই ফুল সরাসরি দেখে তারা অভিভূত। প্রতিকূল আবহাওয়ার চ্যালেঞ্জ জয় করে টিউলিপের এই চাষ তেঁতুলিয়ার পর্যটনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

আপনার মতামত লিখুন