পীরগঞ্জে বিসিআইসির সার ডিলাররা ভর্তুকি মূল্যে আমদানিকৃত ডিএপি সার খুচরা বিক্রেতা ও কৃষকদের মাঝে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরের পীরগঞ্জে বিসিআইসির সার ডিলারদের বিরুদ্ধে সরকারি ভর্তুকি মূল্যের ডিএপি সার খুচরা বিক্রেতা ও কৃষকদের কাছে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটে সারের বাজার নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং জোরদার করার পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে একাধিক নতুন ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রির বিষয়টি নজরে আসার পর উপজেলা কৃষি বিভাগ তদারকি বাড়িয়েছে। গত ২৯ জানুয়ারি ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার ‘মেসার্স সোনালী ভান্ডার’কে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর আহমেদ।
এছাড়া বড় আলমপুর ইউনিয়নের ডিলার মেসার্স তৃপ্তি ট্রেডার্সের মালিক তোজাম্মেল হক দুদুর বিরুদ্ধেও কৃষকদের হয়রানির বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সল ইমাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শূন্য ইউনিটগুলোতে দ্রুত ডিলার নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার তথ্য ‘BRRI Rice Museum’ ফেসবুক পেজেও আপলোড করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে অসৎ ডিলার ও সিন্ডিকেট চক্রের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সাধারণ কৃষকদের মতে, বর্তমানে প্রতি বস্তা ডিএপি সারে ডিলাররা ২০০ টাকারও বেশি অতিরিক্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। টুকুরিয়া ও কুমেদপুর ইউনিয়নের কৃষকরা জানান, ওয়ার্ড পর্যায়ে একাধিক ডিলার থাকলে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং সারের দাম কমবে।
অন্যদিকে, বিসিআইসি ডিলারদের সংগঠন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) নতুন ডিলার নিয়োগের বিরোধিতা করছে। তারা আগের নীতিমালা বহাল রাখতে উচ্চ আদালতে রিট করেছে বলে জানা গেছে। তবে বিএডিসির ডিলার এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা কৃষকদের স্বার্থে দ্রুত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার সুমন আহমেদ বলেন, "২০২৫ সালের সার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে কৃষকের দোরগোড়ায় ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে যাবে। আমরা আশা করছি নতুন ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে এই সার সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পীরগঞ্জে বিসিআইসির সার ডিলাররা ভর্তুকি মূল্যে আমদানিকৃত ডিএপি সার খুচরা বিক্রেতা ও কৃষকদের মাঝে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
রংপুরের পীরগঞ্জে বিসিআইসির সার ডিলারদের বিরুদ্ধে সরকারি ভর্তুকি মূল্যের ডিএপি সার খুচরা বিক্রেতা ও কৃষকদের কাছে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটে সারের বাজার নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং জোরদার করার পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে একাধিক নতুন ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রির বিষয়টি নজরে আসার পর উপজেলা কৃষি বিভাগ তদারকি বাড়িয়েছে। গত ২৯ জানুয়ারি ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার ‘মেসার্স সোনালী ভান্ডার’কে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর আহমেদ।
এছাড়া বড় আলমপুর ইউনিয়নের ডিলার মেসার্স তৃপ্তি ট্রেডার্সের মালিক তোজাম্মেল হক দুদুর বিরুদ্ধেও কৃষকদের হয়রানির বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সল ইমাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শূন্য ইউনিটগুলোতে দ্রুত ডিলার নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার তথ্য ‘BRRI Rice Museum’ ফেসবুক পেজেও আপলোড করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে অসৎ ডিলার ও সিন্ডিকেট চক্রের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সাধারণ কৃষকদের মতে, বর্তমানে প্রতি বস্তা ডিএপি সারে ডিলাররা ২০০ টাকারও বেশি অতিরিক্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। টুকুরিয়া ও কুমেদপুর ইউনিয়নের কৃষকরা জানান, ওয়ার্ড পর্যায়ে একাধিক ডিলার থাকলে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং সারের দাম কমবে।
অন্যদিকে, বিসিআইসি ডিলারদের সংগঠন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) নতুন ডিলার নিয়োগের বিরোধিতা করছে। তারা আগের নীতিমালা বহাল রাখতে উচ্চ আদালতে রিট করেছে বলে জানা গেছে। তবে বিএডিসির ডিলার এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা কৃষকদের স্বার্থে দ্রুত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার সুমন আহমেদ বলেন, "২০২৫ সালের সার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে কৃষকের দোরগোড়ায় ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে যাবে। আমরা আশা করছি নতুন ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে এই সার সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হবে।"

আপনার মতামত লিখুন