ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে মুখর হয়ে উঠেছে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
স্পেশাল করসপন্ডেন্ট-মোঃ ছিরু মিয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে গোপালগঞ্জে জনমত দৃশ্যমান হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। দীর্ঘদিন শিক্ষাক্ষেত্রে যুক্ত থাকার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে সাবরিনা বিনতে আহমেদ ইতোমধ্যে এলাকায় পরিচিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, শিক্ষকতা জীবনে দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি জনসম্পৃক্ততার একটি দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলেছেন। শিক্ষকতা পেশা থেকে সরে এসে তিনি পূর্ণ সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। তার বক্তব্য—“মানুষ গড়লেই সমাজ বদলায়, দেশ বদলায়।” এই আদর্শ সামনে রেখে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিমের সহধর্মিনী। পাশাপাশি তিনি দৈনিক জনকণ্ঠ–এর অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষাজীবনে তিনি রাজধানীর শহীদ বীর-উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী একজন সক্রিয় অনুসারী হিসেবে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। তিনি একজন লেখক ও গবেষক হিসেবেও পরিচিত। নিজ এলাকা জয়নগর ইয়ার আলী খান ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কাশিয়ানী–মুকসুদপুর অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তা-ঘাট, মসজিদ, স্কুল, মাদ্রাসা, হেফজখানা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ফলে সাধারণ মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। গোপালগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রমে তিনি সরাসরি মাঠে থেকে সহকর্মীদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলীয় বার্তা পৌঁছে দেন এবং ভোটারদের প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা শোনেন—যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। গোপালগঞ্জের বাসিন্দাদের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যক্তিস্বার্থে নয়; বরং জনকল্যাণে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্যেই এর প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত। অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী ও তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য—এমনটাই দাবি তাদের। হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও বিভিন্ন সামাজিক পরিসরে এখন একটি দাবিই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে—সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। তবে এ বিষয়ে এখনো দলীয় বা সরকারি পর্যায়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ও সার্বিক রাজনৈতিক বিবেচনার ওপরই বিষয়টি নির্ভর করবে। এ প্রসঙ্গে সাবরিনা বিনতে আহমেদ বলেন, “রাজনীতি মানে মানুষের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া। সততা, সাহস ও ভালোবাসার মাধ্যমে মানুষের সেবা করাই আমার অঙ্গীকার।” তিনি জানান, জনগণের সমর্থন ও দোয়াই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সুযোগ পেলে তিনি জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জের মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরবেন এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে আরও সংগঠিত ও সচেতন করে তুলতে ভূমিকা রাখবেন।
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে মুখর হয়ে উঠেছে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
স্পেশাল করসপন্ডেন্ট-মোঃ ছিরু মিয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে গোপালগঞ্জে জনমত দৃশ্যমান হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। দীর্ঘদিন শিক্ষাক্ষেত্রে যুক্ত থাকার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে সাবরিনা বিনতে আহমেদ ইতোমধ্যে এলাকায় পরিচিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, শিক্ষকতা জীবনে দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি জনসম্পৃক্ততার একটি দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলেছেন। শিক্ষকতা পেশা থেকে সরে এসে তিনি পূর্ণ সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। তার বক্তব্য—“মানুষ গড়লেই সমাজ বদলায়, দেশ বদলায়।” এই আদর্শ সামনে রেখে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিমের সহধর্মিনী। পাশাপাশি তিনি দৈনিক জনকণ্ঠ–এর অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষাজীবনে তিনি রাজধানীর শহীদ বীর-উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী একজন সক্রিয় অনুসারী হিসেবে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। তিনি একজন লেখক ও গবেষক হিসেবেও পরিচিত। নিজ এলাকা জয়নগর ইয়ার আলী খান ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কাশিয়ানী–মুকসুদপুর অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তা-ঘাট, মসজিদ, স্কুল, মাদ্রাসা, হেফজখানা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ফলে সাধারণ মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। গোপালগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রমে তিনি সরাসরি মাঠে থেকে সহকর্মীদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলীয় বার্তা পৌঁছে দেন এবং ভোটারদের প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা শোনেন—যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। গোপালগঞ্জের বাসিন্দাদের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যক্তিস্বার্থে নয়; বরং জনকল্যাণে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্যেই এর প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত। অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী ও তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য—এমনটাই দাবি তাদের। হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও বিভিন্ন সামাজিক পরিসরে এখন একটি দাবিই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে—সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। তবে এ বিষয়ে এখনো দলীয় বা সরকারি পর্যায়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ও সার্বিক রাজনৈতিক বিবেচনার ওপরই বিষয়টি নির্ভর করবে। এ প্রসঙ্গে সাবরিনা বিনতে আহমেদ বলেন, “রাজনীতি মানে মানুষের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া। সততা, সাহস ও ভালোবাসার মাধ্যমে মানুষের সেবা করাই আমার অঙ্গীকার।” তিনি জানান, জনগণের সমর্থন ও দোয়াই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সুযোগ পেলে তিনি জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জের মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরবেন এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে আরও সংগঠিত ও সচেতন করে তুলতে ভূমিকা রাখবেন।
আপনার মতামত লিখুন