নজর বিডি
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে চান গোপালগঞ্জবাসী

সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে চান গোপালগঞ্জবাসী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে মুখর হয়ে উঠেছে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


গোপালগঞ্জ।

স্পেশাল করসপন্ডেন্ট-মোঃ ছিরু মিয়া   

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে গোপালগঞ্জে জনমত দৃশ্যমান হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। দীর্ঘদিন শিক্ষাক্ষেত্রে যুক্ত থাকার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে সাবরিনা বিনতে আহমেদ ইতোমধ্যে এলাকায় পরিচিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, শিক্ষকতা জীবনে দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি জনসম্পৃক্ততার একটি দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলেছেন। শিক্ষকতা পেশা থেকে সরে এসে তিনি পূর্ণ সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। তার বক্তব্য—“মানুষ গড়লেই সমাজ বদলায়, দেশ বদলায়।” এই আদর্শ সামনে রেখে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিমের সহধর্মিনী। পাশাপাশি তিনি দৈনিক জনকণ্ঠ–এর অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষাজীবনে তিনি রাজধানীর শহীদ বীর-উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী একজন সক্রিয় অনুসারী হিসেবে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। তিনি একজন লেখক ও গবেষক হিসেবেও পরিচিত। নিজ এলাকা জয়নগর ইয়ার আলী খান ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কাশিয়ানী–মুকসুদপুর অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তা-ঘাট, মসজিদ, স্কুল, মাদ্রাসা, হেফজখানা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ফলে সাধারণ মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। গোপালগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রমে তিনি সরাসরি মাঠে থেকে সহকর্মীদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলীয় বার্তা পৌঁছে দেন এবং ভোটারদের প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা শোনেন—যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। গোপালগঞ্জের বাসিন্দাদের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যক্তিস্বার্থে নয়; বরং জনকল্যাণে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্যেই এর প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত। অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী ও তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য—এমনটাই দাবি তাদের। হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও বিভিন্ন সামাজিক পরিসরে এখন একটি দাবিই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে—সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। তবে এ বিষয়ে এখনো দলীয় বা সরকারি পর্যায়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ও সার্বিক রাজনৈতিক বিবেচনার ওপরই বিষয়টি নির্ভর করবে। এ প্রসঙ্গে সাবরিনা বিনতে আহমেদ বলেন, “রাজনীতি মানে মানুষের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া। সততা, সাহস ও ভালোবাসার মাধ্যমে মানুষের সেবা করাই আমার অঙ্গীকার।” তিনি জানান, জনগণের সমর্থন ও দোয়াই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সুযোগ পেলে তিনি জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জের মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরবেন এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে আরও সংগঠিত ও সচেতন করে তুলতে ভূমিকা রাখবেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে চান গোপালগঞ্জবাসী

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে মুখর হয়ে উঠেছে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


গোপালগঞ্জ।

স্পেশাল করসপন্ডেন্ট-মোঃ ছিরু মিয়া   

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে গোপালগঞ্জে জনমত দৃশ্যমান হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। দীর্ঘদিন শিক্ষাক্ষেত্রে যুক্ত থাকার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে সাবরিনা বিনতে আহমেদ ইতোমধ্যে এলাকায় পরিচিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, শিক্ষকতা জীবনে দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি জনসম্পৃক্ততার একটি দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলেছেন। শিক্ষকতা পেশা থেকে সরে এসে তিনি পূর্ণ সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। তার বক্তব্য—“মানুষ গড়লেই সমাজ বদলায়, দেশ বদলায়।” এই আদর্শ সামনে রেখে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিমের সহধর্মিনী। পাশাপাশি তিনি দৈনিক জনকণ্ঠ–এর অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষাজীবনে তিনি রাজধানীর শহীদ বীর-উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী একজন সক্রিয় অনুসারী হিসেবে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। তিনি একজন লেখক ও গবেষক হিসেবেও পরিচিত। নিজ এলাকা জয়নগর ইয়ার আলী খান ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কাশিয়ানী–মুকসুদপুর অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তা-ঘাট, মসজিদ, স্কুল, মাদ্রাসা, হেফজখানা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ফলে সাধারণ মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। গোপালগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রমে তিনি সরাসরি মাঠে থেকে সহকর্মীদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলীয় বার্তা পৌঁছে দেন এবং ভোটারদের প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা শোনেন—যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। গোপালগঞ্জের বাসিন্দাদের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যক্তিস্বার্থে নয়; বরং জনকল্যাণে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্যেই এর প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত। অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী ও তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য—এমনটাই দাবি তাদের। হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও বিভিন্ন সামাজিক পরিসরে এখন একটি দাবিই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে—সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। তবে এ বিষয়ে এখনো দলীয় বা সরকারি পর্যায়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ও সার্বিক রাজনৈতিক বিবেচনার ওপরই বিষয়টি নির্ভর করবে। এ প্রসঙ্গে সাবরিনা বিনতে আহমেদ বলেন, “রাজনীতি মানে মানুষের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া। সততা, সাহস ও ভালোবাসার মাধ্যমে মানুষের সেবা করাই আমার অঙ্গীকার।” তিনি জানান, জনগণের সমর্থন ও দোয়াই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সুযোগ পেলে তিনি জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জের মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরবেন এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে আরও সংগঠিত ও সচেতন করে তুলতে ভূমিকা রাখবেন।

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত