চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় ছানোয়ারা বেগম (৪২) নামের এক নারীকে ছুরিকাঘাত করে নির্জন জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে ছানোয়ারা বেগম (৪২) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাত করে নির্জন জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে গেছে তার স্বামী। মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার মইজ্জ্যারটেক আবাসিক এলাকার একটি নির্জন জঙ্গলে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহত ছানোয়ারা বেগম উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের মাদরাসাপাড়া এলাকার মৃত ছগীর আহমেদের মেয়ে। তিনি বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)-এ কর্মরত আছেন। অভিযুক্ত স্বামীর নাম হাবিবুর রহমান (২৭), যার বাড়ি ফরিদপুর জেলায়।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম আশিক জানান, ভুক্তভোগী নারীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তাকে দ্রুত অস্ত্রোপচার কক্ষে (ওটি) নেওয়া হয় এবং সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এটি ছানোয়ারার দ্বিতীয় বিয়ে। তার প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি হাবিবুরকে বিয়ে করেন। প্রথম সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। তবে গত ছয় মাস ধরে বর্তমান স্বামীর সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না এবং কিছুদিন আগে তিনি হাবিবুরকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলেন। পুলিশ ধারণা করছে, এই দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করে। অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় ছানোয়ারা বেগম (৪২) নামের এক নারীকে ছুরিকাঘাত করে নির্জন জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে ছানোয়ারা বেগম (৪২) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাত করে নির্জন জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে গেছে তার স্বামী। মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার মইজ্জ্যারটেক আবাসিক এলাকার একটি নির্জন জঙ্গলে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহত ছানোয়ারা বেগম উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের মাদরাসাপাড়া এলাকার মৃত ছগীর আহমেদের মেয়ে। তিনি বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)-এ কর্মরত আছেন। অভিযুক্ত স্বামীর নাম হাবিবুর রহমান (২৭), যার বাড়ি ফরিদপুর জেলায়।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম আশিক জানান, ভুক্তভোগী নারীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তাকে দ্রুত অস্ত্রোপচার কক্ষে (ওটি) নেওয়া হয় এবং সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এটি ছানোয়ারার দ্বিতীয় বিয়ে। তার প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি হাবিবুরকে বিয়ে করেন। প্রথম সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। তবে গত ছয় মাস ধরে বর্তমান স্বামীর সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না এবং কিছুদিন আগে তিনি হাবিবুরকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলেন। পুলিশ ধারণা করছে, এই দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করে। অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন