ইফতার ও সেহরির চাহিদা বাড়ায় ছোলা, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেল, খেজুর, মুরগির মাংস ও সবজিসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত
স্টাফ রিপোর্টার, সুমাইয়া নূর প্রভা
রমজান মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। ইফতার ও সেহরির চাহিদা বাড়ায় ছোলা, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেল, খেজুর, মুরগির মাংস ও সবজিসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
মুকসুদপুর পৌরসভা সদর বাজার, উজানি বাজার, বালিয়াকান্দি বাজার, জলিলপাড় বাজার, বোয়ালিয়া বাজার, বল্লারান বাজার, গেড়াখোলা শালিনাবক্স বাজার, পুরাতন মুকসুদপুর বাজার, বনগ্রাম বাজার, মহারাজপুর নতুন বাজার, কৃষ্ণাদিয়া হাট বাজার, খান্দারপাড়া ও দিগনগর বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে—রমজান শুরুর পর অধিকাংশ পণ্যের দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বর্তমানে ছোলা, বুট, মসুর ও মুগ ডাল, চিনি, সয়াবিন ও পাম তেল, খেজুর, মুড়ি, চিঁড়া, বেগুন, শসা, টমেটো, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও ডিমের দাম আগের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারভেদে দামের পার্থক্য থাকলেও সামগ্রিক চিত্র একই।
খুচরা ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, পাইকারি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহে অনিয়মিততার কারণে খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয় করতে হয়েছে। তাঁদের দাবি, অস্বাভাবিক মুনাফার উদ্দেশ্যে নয়, বরং বাড়তি খরচের চাপ সামলাতেই মূল্য বাড়ানো হয়েছে।
তবে ক্রেতাদের অভিযোগ ভিন্ন। তাঁদের মতে, চাহিদা বৃদ্ধির সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করছেন। বিশেষ করে ইফতারসামগ্রীতে দাম তুলনামূলক বেশি বেড়েছে। বাজারে আসা এক দিনমজুর আক্ষেপ করে বলেন, “প্রতিদিনের আয় দিয়ে এখন বাজার করা কঠিন। রোজার মাসে পরিবারের জন্য বাড়তি কিছু কিনতে গেলেই হিসাব মিলছে না।”
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বাজারে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর তদারকির দাবি জানিয়েছেন। অতিরিক্ত মূল্য আদায় ও কৃত্রিম সংকট রোধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মৌসুমি চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতার সুযোগে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং কার্যকর নজরদারি বজায় রাখলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
রমজানের সংযম ও সহমর্মিতার চেতনাকে সামনে রেখে ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইফতার ও সেহরির চাহিদা বাড়ায় ছোলা, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেল, খেজুর, মুরগির মাংস ও সবজিসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত
স্টাফ রিপোর্টার, সুমাইয়া নূর প্রভা
রমজান মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। ইফতার ও সেহরির চাহিদা বাড়ায় ছোলা, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেল, খেজুর, মুরগির মাংস ও সবজিসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
মুকসুদপুর পৌরসভা সদর বাজার, উজানি বাজার, বালিয়াকান্দি বাজার, জলিলপাড় বাজার, বোয়ালিয়া বাজার, বল্লারান বাজার, গেড়াখোলা শালিনাবক্স বাজার, পুরাতন মুকসুদপুর বাজার, বনগ্রাম বাজার, মহারাজপুর নতুন বাজার, কৃষ্ণাদিয়া হাট বাজার, খান্দারপাড়া ও দিগনগর বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে—রমজান শুরুর পর অধিকাংশ পণ্যের দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বর্তমানে ছোলা, বুট, মসুর ও মুগ ডাল, চিনি, সয়াবিন ও পাম তেল, খেজুর, মুড়ি, চিঁড়া, বেগুন, শসা, টমেটো, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও ডিমের দাম আগের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারভেদে দামের পার্থক্য থাকলেও সামগ্রিক চিত্র একই।
খুচরা ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, পাইকারি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহে অনিয়মিততার কারণে খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয় করতে হয়েছে। তাঁদের দাবি, অস্বাভাবিক মুনাফার উদ্দেশ্যে নয়, বরং বাড়তি খরচের চাপ সামলাতেই মূল্য বাড়ানো হয়েছে।
তবে ক্রেতাদের অভিযোগ ভিন্ন। তাঁদের মতে, চাহিদা বৃদ্ধির সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করছেন। বিশেষ করে ইফতারসামগ্রীতে দাম তুলনামূলক বেশি বেড়েছে। বাজারে আসা এক দিনমজুর আক্ষেপ করে বলেন, “প্রতিদিনের আয় দিয়ে এখন বাজার করা কঠিন। রোজার মাসে পরিবারের জন্য বাড়তি কিছু কিনতে গেলেই হিসাব মিলছে না।”
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বাজারে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর তদারকির দাবি জানিয়েছেন। অতিরিক্ত মূল্য আদায় ও কৃত্রিম সংকট রোধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মৌসুমি চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতার সুযোগে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং কার্যকর নজরদারি বজায় রাখলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
রমজানের সংযম ও সহমর্মিতার চেতনাকে সামনে রেখে ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন