চলতি মৌসুমে রঙ্গিন ফুলকপির ভালো ফলন হয়েছে। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ফুলকপি চাষ করে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
খুলনার ডুমুরিয়ায় রঙিন ফুলকপি চাষে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শে এবার ফলন যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি বাজারে দামও মিলছে আশাতীত।
উপজেলার সাহস ইউনিয়নের ছোটবন্দ গ্রামের কিষানি মিতালী মন্ডল মাত্র ৫ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষ করে ৪৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। অন্যদিকে, খর্নিয়া এলাকার আদর্শ কৃষক আবু হানিফ মোড়ল ৩৩ শতক জমিতে এই কপির আবাদ করে চলতি মৌসুমে প্রায় ১ লাখ টাকা মুনাফা অর্জন করেছেন।
কৃষকরা জানান, সাদা ফুলকপির চেয়ে রঙিন (বেগুনি ও হলুদ) ফুলকপির চাহিদা ও দাম বাজারে বেশি। অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় এই অঞ্চলে রঙিন ফুলকপি চাষ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ডুমুরিয়ায় ২৮০ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। সঠিক সময়ে বীজ বপন ও সুষম সার ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাঝেও ফলন ভালো হয়েছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা জানান, এবার ফুলকপির বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। এলাকার চাহিদা মিটিয়ে এই কপি এখন দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চলতি মৌসুমে রঙ্গিন ফুলকপির ভালো ফলন হয়েছে। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ফুলকপি চাষ করে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
খুলনার ডুমুরিয়ায় রঙিন ফুলকপি চাষে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শে এবার ফলন যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি বাজারে দামও মিলছে আশাতীত।
উপজেলার সাহস ইউনিয়নের ছোটবন্দ গ্রামের কিষানি মিতালী মন্ডল মাত্র ৫ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষ করে ৪৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। অন্যদিকে, খর্নিয়া এলাকার আদর্শ কৃষক আবু হানিফ মোড়ল ৩৩ শতক জমিতে এই কপির আবাদ করে চলতি মৌসুমে প্রায় ১ লাখ টাকা মুনাফা অর্জন করেছেন।
কৃষকরা জানান, সাদা ফুলকপির চেয়ে রঙিন (বেগুনি ও হলুদ) ফুলকপির চাহিদা ও দাম বাজারে বেশি। অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় এই অঞ্চলে রঙিন ফুলকপি চাষ দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ডুমুরিয়ায় ২৮০ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। সঠিক সময়ে বীজ বপন ও সুষম সার ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাঝেও ফলন ভালো হয়েছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা জানান, এবার ফুলকপির বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। এলাকার চাহিদা মিটিয়ে এই কপি এখন দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন