নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, যেহেতু বর্তমান সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে, তাই দলীয় প্রতীকের বিধান থাকা বা না থাকার বিষয়টি মূলত দলটির ওপরই নির্ভর করছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে ভোট হবে কি না, তা এখন নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, যেহেতু বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে, তাই দলীয় প্রতীকের বিধান রাখা বা না রাখার বিষয়টি এখন মূলত তাদেরই সিদ্ধান্ত।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এসব তথ্য জানান।
মেয়রের দলীয় প্রতীকের বিধান সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্স প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি বর্তমানে বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন সংসদ বসবে। সংসদ বসার পর এই বিল বা অর্ডিন্যান্স যদি রেটিফাই (অনুমোদন) হয়, তবে দলীয় প্রতীক ছাড়াই নির্বাচন হবে। আর যদি পরিবর্তন হয়ে আগের দলীয় প্রতীকের ব্যবস্থায় ফিরে যায়, তবে সেভাবেই হবে। আমরা মূলত সংসদ অধিবেশনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি।”
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন নিয়ে কমিশনার জানান, এই প্রক্রিয়ার কাজ কার্যত শুরু হয়ে গেছে। আইন অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো যাদের মনোনীত করবেন, মূলত তারাই নির্বাচিত হবেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, যেহেতু বর্তমান সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে, তাই দলীয় প্রতীকের বিধান থাকা বা না থাকার বিষয়টি মূলত দলটির ওপরই নির্ভর করছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে ভোট হবে কি না, তা এখন নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, যেহেতু বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে, তাই দলীয় প্রতীকের বিধান রাখা বা না রাখার বিষয়টি এখন মূলত তাদেরই সিদ্ধান্ত।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এসব তথ্য জানান।
মেয়রের দলীয় প্রতীকের বিধান সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্স প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি বর্তমানে বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন সংসদ বসবে। সংসদ বসার পর এই বিল বা অর্ডিন্যান্স যদি রেটিফাই (অনুমোদন) হয়, তবে দলীয় প্রতীক ছাড়াই নির্বাচন হবে। আর যদি পরিবর্তন হয়ে আগের দলীয় প্রতীকের ব্যবস্থায় ফিরে যায়, তবে সেভাবেই হবে। আমরা মূলত সংসদ অধিবেশনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি।”
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন নিয়ে কমিশনার জানান, এই প্রক্রিয়ার কাজ কার্যত শুরু হয়ে গেছে। আইন অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো যাদের মনোনীত করবেন, মূলত তারাই নির্বাচিত হবেন।

আপনার মতামত লিখুন