ছবি: সংগ্রহীত[/caption]
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে খালের একটি অংশ দখল করে ইটের স্থায়ী দেয়াল নির্মাণ করা হয়, যার ফলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় আশপাশের জমি ও বসতবাড়িতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয়।
অভিযান পরিচালনায় দিগনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের লোকবল সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এ সময় দিগনগর ইউনিয়ন পরিষদ–এর গ্রাম পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন। উপস্থিত জনবল দেয়ালটি ভেঙে খালের দখলমুক্ত অংশ পুনরুদ্ধার করেন।
ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কেউ সরকারি সম্পত্তি দখল বা স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খাল দখলমুক্ত হওয়ায় পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমবে। তারা সরকারি খাল ও জলাশয় রক্ষায় প্রশাসনের ধারাবাহিক নজরদারি কামনা করেন। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: সংগ্রহীত[/caption]
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে খালের একটি অংশ দখল করে ইটের স্থায়ী দেয়াল নির্মাণ করা হয়, যার ফলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় আশপাশের জমি ও বসতবাড়িতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয়।
অভিযান পরিচালনায় দিগনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের লোকবল সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এ সময় দিগনগর ইউনিয়ন পরিষদ–এর গ্রাম পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন। উপস্থিত জনবল দেয়ালটি ভেঙে খালের দখলমুক্ত অংশ পুনরুদ্ধার করেন।
ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কেউ সরকারি সম্পত্তি দখল বা স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খাল দখলমুক্ত হওয়ায় পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমবে। তারা সরকারি খাল ও জলাশয় রক্ষায় প্রশাসনের ধারাবাহিক নজরদারি কামনা করেন। 
আপনার মতামত লিখুন