ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি - রহমাতুল্লাহ সেখ
প্রকাশ - ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির খবর প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসেছে উপজেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার প্রধান বাজারগুলোতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবুল হাছনাত। অভিযানকালে বাজারের বিভিন্ন মুদি দোকান, সবজি, মাছ ও মাংসের আড়তে তদারকি চালানো হয়। ব্যবসায়ীরা মূল্যতালিকা টানিয়েছেন কি না, নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রি করছেন কি না এবং ওজনে কারচুপি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হয়।
অভিযানে অসাধু ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয় এবং ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা না করার ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া হয়। ম্যাজিস্ট্রেট জানান, কোনো দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা বা অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত পরিদর্শন করা হয়, যাতে কোনো ধরনের অবৈধ দোকানপাট বা অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে উঠতে না পারে। দীর্ঘদিনের যানজট ও পথচারীদের চলাচলের ভোগান্তি লাঘবে এ অভিযান কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবুল হাছনাত বলেন, “পবিত্র রমজান ও সামনের সময়কে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হবে। পাশাপাশি বাজার এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
সাধারণ জনগণ উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, ধারাবাহিক তদারকি অব্যাহত থাকলে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারবেন।
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি - রহমাতুল্লাহ সেখ
প্রকাশ - ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির খবর প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসেছে উপজেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার প্রধান বাজারগুলোতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবুল হাছনাত। অভিযানকালে বাজারের বিভিন্ন মুদি দোকান, সবজি, মাছ ও মাংসের আড়তে তদারকি চালানো হয়। ব্যবসায়ীরা মূল্যতালিকা টানিয়েছেন কি না, নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রি করছেন কি না এবং ওজনে কারচুপি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হয়।
অভিযানে অসাধু ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয় এবং ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা না করার ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া হয়। ম্যাজিস্ট্রেট জানান, কোনো দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা বা অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত পরিদর্শন করা হয়, যাতে কোনো ধরনের অবৈধ দোকানপাট বা অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে উঠতে না পারে। দীর্ঘদিনের যানজট ও পথচারীদের চলাচলের ভোগান্তি লাঘবে এ অভিযান কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবুল হাছনাত বলেন, “পবিত্র রমজান ও সামনের সময়কে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হবে। পাশাপাশি বাজার এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
সাধারণ জনগণ উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, ধারাবাহিক তদারকি অব্যাহত থাকলে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারবেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন