আপনাদের কাছে কেউ এসে যদি টাকা চায়, কিংবা চাঁদা চায় তাহলে কেউকে একটি টাকাও দিবেন না। তাৎক্ষণিকবাবে আমাকে খবর দিবেন আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
মোঃ জুবায়ের হোসেন, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
পবিত্র রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে যখন সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে, ঠিক তখনই বাজার নিয়ন্ত্রণে সশরীরে মাঠে নেমেছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। স্বাধীনতার পর গোপালগঞ্জে এই প্রথম কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে এভাবে বাজার মনিটরিং করতে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসার সৃষ্টি হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় গোপালগঞ্জ শহরের বড় বাজারে তদারকি শুরু করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাজার পরিদর্শন শেষে ডা. কেএম বাবর বলেন, "রমজান মাসে ব্যবসায়ীরা যেন সিন্ডিকেট করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে না পারে, সেজন্য আমি নিজেই প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মাঠে নেমেছি। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলেই তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আপনাদের কাছে কেউ যদি চাঁদা দাবি করে, তবে এক টাকাও দেবেন না। সে আমার দলের লোক হোক বা যে এলাকারই হোক—কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আপনারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা করুন। তবে মনে রাখবেন, অধিক মুনাফার আশায় সিন্ডিকেট করলে ফল ভালো হবে না।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আপনাদের কাছে কেউ এসে যদি টাকা চায়, কিংবা চাঁদা চায় তাহলে কেউকে একটি টাকাও দিবেন না। তাৎক্ষণিকবাবে আমাকে খবর দিবেন আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
মোঃ জুবায়ের হোসেন, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
পবিত্র রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে যখন সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে, ঠিক তখনই বাজার নিয়ন্ত্রণে সশরীরে মাঠে নেমেছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। স্বাধীনতার পর গোপালগঞ্জে এই প্রথম কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে এভাবে বাজার মনিটরিং করতে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসার সৃষ্টি হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় গোপালগঞ্জ শহরের বড় বাজারে তদারকি শুরু করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাজার পরিদর্শন শেষে ডা. কেএম বাবর বলেন, "রমজান মাসে ব্যবসায়ীরা যেন সিন্ডিকেট করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে না পারে, সেজন্য আমি নিজেই প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মাঠে নেমেছি। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলেই তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আপনাদের কাছে কেউ যদি চাঁদা দাবি করে, তবে এক টাকাও দেবেন না। সে আমার দলের লোক হোক বা যে এলাকারই হোক—কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আপনারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা করুন। তবে মনে রাখবেন, অধিক মুনাফার আশায় সিন্ডিকেট করলে ফল ভালো হবে না।"

আপনার মতামত লিখুন