ময়মনসিংহের ভালুকায় আলোচিত দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে দীপু হত্যার সঙ্গে জড়িত মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের ভালুকায় চাঞ্চল্যকর দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতরাত ৯টায় ভালুকা উপজেলার ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির প্রজেক্টর গেট সংলগ্ন একটি চায়ের দোকান থেকে মো. বাবলু মিয়াকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়। বাবলু ওই গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে বাবলু মিয়া ঘটনাস্থলে লোক জড়ো করার মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছিলেন।
তিনি ফ্যাক্টরির গেটে স্লোগান দিয়ে জনতাকে উত্তেজিত ও একত্রিত করেন। দীপু চন্দ্র দাসকে গেটের সামনে মারধর করে হত্যায় সরাসরি অংশ নেন।
এমনকি মরদেহ মেইনরোডে নিয়ে যাওয়া এবং উত্তেজিত জনতার মাধ্যমে মরদেহের ওপর অমানবিক নির্যাতনে সক্রিয় সহযোগিতা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই মামলায় এ পর্যন্ত ২৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১১ জন আসামি আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার বাকি পলাতক আসামিদের ধরতে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহের ভালুকায় আলোচিত দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে দীপু হত্যার সঙ্গে জড়িত মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের ভালুকায় চাঞ্চল্যকর দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতরাত ৯টায় ভালুকা উপজেলার ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির প্রজেক্টর গেট সংলগ্ন একটি চায়ের দোকান থেকে মো. বাবলু মিয়াকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়। বাবলু ওই গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে বাবলু মিয়া ঘটনাস্থলে লোক জড়ো করার মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছিলেন।
তিনি ফ্যাক্টরির গেটে স্লোগান দিয়ে জনতাকে উত্তেজিত ও একত্রিত করেন। দীপু চন্দ্র দাসকে গেটের সামনে মারধর করে হত্যায় সরাসরি অংশ নেন।
এমনকি মরদেহ মেইনরোডে নিয়ে যাওয়া এবং উত্তেজিত জনতার মাধ্যমে মরদেহের ওপর অমানবিক নির্যাতনে সক্রিয় সহযোগিতা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই মামলায় এ পর্যন্ত ২৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১১ জন আসামি আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার বাকি পলাতক আসামিদের ধরতে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন