পাবনার ঈশ্বরদীতে দাবিকৃত ১ লাখ টাকা চাঁদা না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক কৃষকের লিজকৃত সাড়ে তিনবিঘা জমি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গাঁজর লুটের ঘটনা
জেলা প্রতিনিধি, পাবনা
পাবনার ঈশ্বরদীতে দাবিকৃত ১ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এক কৃষকের সাড়ে তিন বিঘা জমি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গাজর লুটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে যুবদলের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল ঠাকুরপাড়া গ্রামের মো. আশিস (৩০) এবং মো. পলাশ (২৯)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী ও যুবদল কর্মী হিসেবে পরিচিত। আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তাদের আদালতের মাধ্যমে পাবনা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার বিকেলে ঈশ্বরদী ইপিজেড গেট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ভুক্তভোগী কৃষক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, তিনি জমি লিজ নিয়ে গাজর চাষ করেছিলেন। অভিযুক্তরা তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। প্রাণনাশের হুমকিতে তিনি প্রথমে ২৫ হাজার টাকা দিলেও বাকি টাকা দিতে না পারায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি দুই দফায় তার মোট সাড়ে তিন বিঘা জমির প্রায় ৬৫০ মণ গাজর লুট করে নিয়ে যায় আসামিরা। যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা।
কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, "মানুষের কাছ থেকে ধার নিয়ে চাষ করেছিলাম। ফসল হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব। আমি এই লুটেরাদের কঠিন শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ চাই।" এ ঘটনায় তিনি গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেন।
ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বলেন, "মামলার পর আসামিরা পলাতক ছিল। দুজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদীতে দাবিকৃত ১ লাখ টাকা চাঁদা না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক কৃষকের লিজকৃত সাড়ে তিনবিঘা জমি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গাঁজর লুটের ঘটনা
জেলা প্রতিনিধি, পাবনা
পাবনার ঈশ্বরদীতে দাবিকৃত ১ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এক কৃষকের সাড়ে তিন বিঘা জমি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গাজর লুটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে যুবদলের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল ঠাকুরপাড়া গ্রামের মো. আশিস (৩০) এবং মো. পলাশ (২৯)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী ও যুবদল কর্মী হিসেবে পরিচিত। আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তাদের আদালতের মাধ্যমে পাবনা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার বিকেলে ঈশ্বরদী ইপিজেড গেট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ভুক্তভোগী কৃষক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, তিনি জমি লিজ নিয়ে গাজর চাষ করেছিলেন। অভিযুক্তরা তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। প্রাণনাশের হুমকিতে তিনি প্রথমে ২৫ হাজার টাকা দিলেও বাকি টাকা দিতে না পারায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি দুই দফায় তার মোট সাড়ে তিন বিঘা জমির প্রায় ৬৫০ মণ গাজর লুট করে নিয়ে যায় আসামিরা। যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা।
কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, "মানুষের কাছ থেকে ধার নিয়ে চাষ করেছিলাম। ফসল হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব। আমি এই লুটেরাদের কঠিন শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ চাই।" এ ঘটনায় তিনি গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেন।
ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বলেন, "মামলার পর আসামিরা পলাতক ছিল। দুজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন