নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

দাকোপে মৎস্য অধিদপ্তরের চার ধাপের বিশেষ অভিযান সম্পন্ন

দাকোপে মৎস্য অধিদপ্তরের চার ধাপের বিশেষ অভিযান সম্পন্ন

উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সাড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়


শেখ মাহতাব হোসেন, (খুলনা):

খুলনার দাকোপ উপজেলায় জাটকাসহ মৎস্য ও চিংড়ির প্রাকৃতিক প্রজনন রক্ষায় দুই মাসব্যাপী চার ধাপের বিশেষ কম্বিং অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সাড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়।

মৎস্য সম্পদ রক্ষায় মোট চারটি ধাপে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। ১ম ধাপ (০১-০৭ জানুয়ারি), ২য় ধাপ (১৬-২৩ জানুয়ারি), ৩য় ধাপ (৩১ জানুয়ারি-০৬ ফেব্রুয়ারি) এবং সর্বশেষ ৪র্থ ধাপ (১৬-২৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত পশুর, শিবসা, ভদ্রা, ঢাকি, চনকুড়ি ও ঝপঝপিয়া নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী ও খালে এই কার্যক্রম চলে।

অভিযান চলাকালীন মোট ১১টি মোবাইল কোর্ট এবং ৩০টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময়ে নদী ও খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে: প্রায় ৬.০৯ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল। ৫৮টি বেহুন্দি জাল। চরপাটা, চরঘেরা ও মশারি জালসহ প্রায় ১৪৩টি অন্যান্য অবৈধ জাল।

জব্দকৃত এসব জাল তাৎক্ষণিকভাবে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এছাড়া জেলেদের কাছ থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহ করা প্রায় ৭০ কেজি বাগদা ও পারশে রেণু জব্দ করে পুনরায় নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

এই অভিযানে উপজেলা প্রশাসনকে সক্রিয় সহায়তা প্রদান করে নৌ পুলিশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর জালের ব্যবহার মাছের ডিম ও পোনা ধ্বংস করে মৎস্য সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি করছে। এই অভিযানের ফলে মাছের প্রজনন বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষা পাবে বলে তারা আশাবাদী।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


দাকোপে মৎস্য অধিদপ্তরের চার ধাপের বিশেষ অভিযান সম্পন্ন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সাড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়


শেখ মাহতাব হোসেন, (খুলনা):

খুলনার দাকোপ উপজেলায় জাটকাসহ মৎস্য ও চিংড়ির প্রাকৃতিক প্রজনন রক্ষায় দুই মাসব্যাপী চার ধাপের বিশেষ কম্বিং অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সাড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়।

মৎস্য সম্পদ রক্ষায় মোট চারটি ধাপে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। ১ম ধাপ (০১-০৭ জানুয়ারি), ২য় ধাপ (১৬-২৩ জানুয়ারি), ৩য় ধাপ (৩১ জানুয়ারি-০৬ ফেব্রুয়ারি) এবং সর্বশেষ ৪র্থ ধাপ (১৬-২৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত পশুর, শিবসা, ভদ্রা, ঢাকি, চনকুড়ি ও ঝপঝপিয়া নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী ও খালে এই কার্যক্রম চলে।

অভিযান চলাকালীন মোট ১১টি মোবাইল কোর্ট এবং ৩০টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময়ে নদী ও খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে: প্রায় ৬.০৯ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল। ৫৮টি বেহুন্দি জাল। চরপাটা, চরঘেরা ও মশারি জালসহ প্রায় ১৪৩টি অন্যান্য অবৈধ জাল।

জব্দকৃত এসব জাল তাৎক্ষণিকভাবে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এছাড়া জেলেদের কাছ থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহ করা প্রায় ৭০ কেজি বাগদা ও পারশে রেণু জব্দ করে পুনরায় নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

এই অভিযানে উপজেলা প্রশাসনকে সক্রিয় সহায়তা প্রদান করে নৌ পুলিশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর জালের ব্যবহার মাছের ডিম ও পোনা ধ্বংস করে মৎস্য সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি করছে। এই অভিযানের ফলে মাছের প্রজনন বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষা পাবে বলে তারা আশাবাদী।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করা হবে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত