বক্তারা জানান, গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের চরকলিগ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের শিকার। ভাঙনে তাঁদের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পরবর্তীতে নদীর অপর পাড়ে জেগে ওঠা চরে এসে তাঁরা বসবাস শুরু করেন। অনেক পরিবার ৬০ থেকে ৭০ বছর ধরে এ এলাকায় বসবাস করলেও এখনো ভূমির স্থায়ী অধিকার পাননি।
ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন, নতুন চরে বসতি স্থাপনের পর ঘর নির্মাণ, টয়লেট স্থাপন বা স্থায়ী কাঠামো গড়ে তুলতে গেলে বিভিন্ন মহল থেকে বাধা দেওয়া হয়। গাছ লাগানো বা বিক্রি করতেও বাধার মুখে পড়তে হয়। অনেক ক্ষেত্রে অর্থ দিয়ে ‘ফয়সালা’ করতে বাধ্য হন তাঁরা। কিছু ভুয়া সাংবাদিক ও নামধারী রাজনৈতিক ব্যক্তির মাধ্যমে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তাঁরা।
তাঁদের দাবি, নদীতে জমি হারানোর পর যে চরে তাঁরা বসতি গড়েছেন, সেটির ওপর তাঁদের স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদান করতে হবে। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, মানবিক বিবেচনায় এবং ন্যায়সংগত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ভূমির অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করা জরুরি।
সভায় বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন ও ভূমির আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বক্তারা জানান, গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের চরকলিগ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের শিকার। ভাঙনে তাঁদের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পরবর্তীতে নদীর অপর পাড়ে জেগে ওঠা চরে এসে তাঁরা বসবাস শুরু করেন। অনেক পরিবার ৬০ থেকে ৭০ বছর ধরে এ এলাকায় বসবাস করলেও এখনো ভূমির স্থায়ী অধিকার পাননি।
ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন, নতুন চরে বসতি স্থাপনের পর ঘর নির্মাণ, টয়লেট স্থাপন বা স্থায়ী কাঠামো গড়ে তুলতে গেলে বিভিন্ন মহল থেকে বাধা দেওয়া হয়। গাছ লাগানো বা বিক্রি করতেও বাধার মুখে পড়তে হয়। অনেক ক্ষেত্রে অর্থ দিয়ে ‘ফয়সালা’ করতে বাধ্য হন তাঁরা। কিছু ভুয়া সাংবাদিক ও নামধারী রাজনৈতিক ব্যক্তির মাধ্যমে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তাঁরা।
তাঁদের দাবি, নদীতে জমি হারানোর পর যে চরে তাঁরা বসতি গড়েছেন, সেটির ওপর তাঁদের স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদান করতে হবে। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, মানবিক বিবেচনায় এবং ন্যায়সংগত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ভূমির অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করা জরুরি।
সভায় বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন ও ভূমির আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন। 
আপনার মতামত লিখুন