এখনও খুলনার ঈদের বাজার জমে ওঠেনি। তবে এই সময়ে তৈরী পোশাকের (টেইলার্স) দোকানগুলোতে বেশ ভীড় থাকে।
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে খুলনার টেইলার্স ও কাপড় পট্টিতে এখনও ঈদের আমেজ জমেনি। যেখানে প্রতিবছর ১০ রমজানের মধ্যে টেইলার্সগুলো অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিত, সেখানে এবার ২৯ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেওয়ার অপেক্ষায় আছেন কারিগররা। দেশীয় ও বিদেশি রেডিমেড পোশাকের বাজার দখলের কারণে স্থানীয় দর্জি ব্যবসায়ীরা চরম সংকটে পড়েছেন।
খুলনার বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, রেডিমেড প্যান্ট-শার্টের তুলনায় টেইলার্সে কাপড় কিনে পোশাক তৈরি করার খরচ প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি খরচ ও ঝামেলার কারণে ক্রেতারা এখন দর্জির পরিবর্তে রেডিমেড শোরুমমুখী হচ্ছেন। ফলে খুলনার আখতার চেম্বার, হাজী মালেক চেম্বার ও নিউ মার্কেটের টেইলার্স মালিকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
[caption id="attachment_22927" align="alignnone" width="225"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
অধিকাংশ টেইলার্স জানায়, মাসের শেষে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা বেতন-বোনাস পেলে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ভিড় বাড়তে পারে।
শার্ট তৈরির মজুরি ৫০০ এবং প্যান্টের মজুরি ৬০০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও গত তিন বছর ধরে এই রেট অপরিবর্তিত রয়েছে।
বাজারে চায়না ও ইন্ডিয়ান কাপড়ের পাশাপাশি এবার পাকিস্তানি কাবলি ও পাঞ্জাবির কাপড়ের বেশ চাহিদা দেখা যাচ্ছে।
স্টুডেন্ট টেইলার্স ও বস টেইলার্সের কারিগররা জানান, এবার ২৫ থেকে ২৯ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেওয়া হতে পারে।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাজার পরিস্থিতি কিছুটা চাঙা হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এখনও খুলনার ঈদের বাজার জমে ওঠেনি। তবে এই সময়ে তৈরী পোশাকের (টেইলার্স) দোকানগুলোতে বেশ ভীড় থাকে।
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে খুলনার টেইলার্স ও কাপড় পট্টিতে এখনও ঈদের আমেজ জমেনি। যেখানে প্রতিবছর ১০ রমজানের মধ্যে টেইলার্সগুলো অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিত, সেখানে এবার ২৯ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেওয়ার অপেক্ষায় আছেন কারিগররা। দেশীয় ও বিদেশি রেডিমেড পোশাকের বাজার দখলের কারণে স্থানীয় দর্জি ব্যবসায়ীরা চরম সংকটে পড়েছেন।
খুলনার বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, রেডিমেড প্যান্ট-শার্টের তুলনায় টেইলার্সে কাপড় কিনে পোশাক তৈরি করার খরচ প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি খরচ ও ঝামেলার কারণে ক্রেতারা এখন দর্জির পরিবর্তে রেডিমেড শোরুমমুখী হচ্ছেন। ফলে খুলনার আখতার চেম্বার, হাজী মালেক চেম্বার ও নিউ মার্কেটের টেইলার্স মালিকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
[caption id="attachment_22927" align="alignnone" width="225"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
অধিকাংশ টেইলার্স জানায়, মাসের শেষে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা বেতন-বোনাস পেলে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ভিড় বাড়তে পারে।
শার্ট তৈরির মজুরি ৫০০ এবং প্যান্টের মজুরি ৬০০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও গত তিন বছর ধরে এই রেট অপরিবর্তিত রয়েছে।
বাজারে চায়না ও ইন্ডিয়ান কাপড়ের পাশাপাশি এবার পাকিস্তানি কাবলি ও পাঞ্জাবির কাপড়ের বেশ চাহিদা দেখা যাচ্ছে।
স্টুডেন্ট টেইলার্স ও বস টেইলার্সের কারিগররা জানান, এবার ২৫ থেকে ২৯ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেওয়া হতে পারে।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাজার পরিস্থিতি কিছুটা চাঙা হবে।

আপনার মতামত লিখুন