নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পচা ভাত খেয়েই সেহরি-ইফতার করা তিন সন্তানসহ দিশেহারা জীবনযাপন করা বিধবা আয়েশা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পচা ভাত খেয়ে সেহরি ও ইফতার করা সেই অসহায় বিধবা আয়েশা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মানবিক এই কর্মকর্তা আয়েশার জরাজীর্ণ ঘরে এক মাসের খাদ্যসামগ্রী ও শীতবস্ত্র পৌঁছে দেন।
আয়েশা বেগম সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের মৃত আমির হোসেন লেদুর স্ত্রী। তিন এতিম সন্তান মো. সজিব, মো. সৌরভ ও মো. সবুজকে নিয়ে এক মানবেতর জীবন পার করছিলেন তিনি।
২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর গাছ টানার কাজ করার সময় বড় গাছের নিচে চাপা পড়ে মারা যান আয়েশার স্বামী আমির হোসেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে পরিবারটি। কোনো উপার্জনের পথ না থাকায় বিদ্যুৎবিহীন এক ঝুপড়ি ঘরে আধপেটা খেয়ে কাটছিল তাদের দিন। স্থানীয়রা জানান, অভাবের তাড়নায় অনেক সময় পচা ভাত খেয়েই তারা রোজা রাখছিলেন।
পরিবারটির করুণ অবস্থার কথা জানতে পেরে ইউএনও আকিব ওসমান তাৎক্ষণিকভাবে চাল, ডাল, ছোলা ও তেলসহ এক মাসের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী এবং দুটি কম্বল নিয়ে তাদের বাড়িতে হাজির হন।
আয়েশা বেগম আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, "স্বামী মারা যাওয়ার পর খুব কষ্টে আছি। দুইটা ছেলে অসুস্থ, চিকিৎসা করাতে পারছি না। ইউএনও স্যার খাবার দিয়েছেন, উনার জন্য দোয়া করি।"
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, "পরিবারটির দুরবস্থার কথা শুনে আমি দ্রুত সাধ্যমতো সহায়তা করার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও সরকারি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও স্থায়ী সহায়তার বিষয়ে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করব।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পচা ভাত খেয়েই সেহরি-ইফতার করা তিন সন্তানসহ দিশেহারা জীবনযাপন করা বিধবা আয়েশা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পচা ভাত খেয়ে সেহরি ও ইফতার করা সেই অসহায় বিধবা আয়েশা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মানবিক এই কর্মকর্তা আয়েশার জরাজীর্ণ ঘরে এক মাসের খাদ্যসামগ্রী ও শীতবস্ত্র পৌঁছে দেন।
আয়েশা বেগম সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের মৃত আমির হোসেন লেদুর স্ত্রী। তিন এতিম সন্তান মো. সজিব, মো. সৌরভ ও মো. সবুজকে নিয়ে এক মানবেতর জীবন পার করছিলেন তিনি।
২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর গাছ টানার কাজ করার সময় বড় গাছের নিচে চাপা পড়ে মারা যান আয়েশার স্বামী আমির হোসেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে পরিবারটি। কোনো উপার্জনের পথ না থাকায় বিদ্যুৎবিহীন এক ঝুপড়ি ঘরে আধপেটা খেয়ে কাটছিল তাদের দিন। স্থানীয়রা জানান, অভাবের তাড়নায় অনেক সময় পচা ভাত খেয়েই তারা রোজা রাখছিলেন।
পরিবারটির করুণ অবস্থার কথা জানতে পেরে ইউএনও আকিব ওসমান তাৎক্ষণিকভাবে চাল, ডাল, ছোলা ও তেলসহ এক মাসের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী এবং দুটি কম্বল নিয়ে তাদের বাড়িতে হাজির হন।
আয়েশা বেগম আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, "স্বামী মারা যাওয়ার পর খুব কষ্টে আছি। দুইটা ছেলে অসুস্থ, চিকিৎসা করাতে পারছি না। ইউএনও স্যার খাবার দিয়েছেন, উনার জন্য দোয়া করি।"
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, "পরিবারটির দুরবস্থার কথা শুনে আমি দ্রুত সাধ্যমতো সহায়তা করার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও সরকারি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও স্থায়ী সহায়তার বিষয়ে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করব।"

আপনার মতামত লিখুন