পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিতে হত্যা করে নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পৃথক জায়গা থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ
জেলা প্রতিনিধি, পাবনা
পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে এক ভয়াবহ অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। দাদিকে কুপিয়ে হত্যা করার পর ১৫ বছর বয়সী নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ পৃথক স্থান থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া। সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতের সময়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ঘর থেকে বের হন। পরে শব্দ থেমে গেলে তারা ফিরে যান। শনিবার সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। অন্যদিকে, নিখোঁজ নাতনি জামিলার মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় পার্শ্ববর্তী একটি সরিষা ক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সময় জামিলার বাবা জয়নাল খাঁ ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। স্বজনদের অভিযোগ, ধর্ষণ করতে আসায় বাধা দেওয়ায় দাদিকে হত্যা করা হয় এবং পরে মেয়েটিকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিতে হত্যা করে নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পৃথক জায়গা থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ
জেলা প্রতিনিধি, পাবনা
পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে এক ভয়াবহ অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। দাদিকে কুপিয়ে হত্যা করার পর ১৫ বছর বয়সী নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ পৃথক স্থান থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া। সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতের সময়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ঘর থেকে বের হন। পরে শব্দ থেমে গেলে তারা ফিরে যান। শনিবার সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। অন্যদিকে, নিখোঁজ নাতনি জামিলার মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় পার্শ্ববর্তী একটি সরিষা ক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সময় জামিলার বাবা জয়নাল খাঁ ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। স্বজনদের অভিযোগ, ধর্ষণ করতে আসায় বাধা দেওয়ায় দাদিকে হত্যা করা হয় এবং পরে মেয়েটিকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন