নজর বিডি
প্রকাশ : রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬

ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি হত্যা: অজ্ঞাতনামাদের নামে মামলা

ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি হত্যা: অজ্ঞাতনামাদের নামে মামলা

পাবনার ঈশ্বরদীতে দাবিকে হত্যা করে নাতনিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আজকেই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


জেলা প্রতিনিধি,পাবনা 

পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি সুফিয়া খাতুনকে (৬৫) হত্যা এবং নাতনি জামিলা আক্তারকে (১৫) ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিহতের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় এই মামলা করেন।

মামলার তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে এবং আজ রোববারের মধ্যেই মূল আসামিদের শনাক্ত করার আশা প্রকাশ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান "মামলা দায়েরের পর আমরা বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনেছি। ধারণা করা হচ্ছে, মূল পরিকল্পনাকারী ও খুনি আমাদের নজরদারিতেই আছে। আজকেই এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হবে ইনশাআল্লাহ।"

পুলিশের একটি গোপন সূত্র জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ৩ জনকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, যাদের সাথে ভুক্তভোগী পরিবারের পূর্ব যোগাযোগ ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার সকালে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া এলাকা থেকে দাদি সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ বাড়ির গেটে এবং নাতনি জামিলার বিবস্ত্র মরদেহ পাশের একটি সরিষার খেত থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, মধ্যরাতে কান্নাকাটির শব্দ শুনে তারা বের হলেও পরে পরিস্থিতি শান্ত দেখে ফিরে যান। সকালে এই বীভৎস দৃশ্য দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

নিহত জামিলা আক্তার একজন কোরআনের হাফেজা এবং স্থানীয় দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বাবা ঢাকায় থাকায় সে ছোটবেলা থেকেই দাদির সাথে থাকতো।

পাবনা জেলা পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, পুলিশের একাধিক টিম আলামত সংগ্রহ করে কাজ করছে এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি হত্যা: অজ্ঞাতনামাদের নামে মামলা

প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬

featured Image

পাবনার ঈশ্বরদীতে দাবিকে হত্যা করে নাতনিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আজকেই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


জেলা প্রতিনিধি,পাবনা 

পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি সুফিয়া খাতুনকে (৬৫) হত্যা এবং নাতনি জামিলা আক্তারকে (১৫) ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিহতের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় এই মামলা করেন।

মামলার তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে এবং আজ রোববারের মধ্যেই মূল আসামিদের শনাক্ত করার আশা প্রকাশ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান "মামলা দায়েরের পর আমরা বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনেছি। ধারণা করা হচ্ছে, মূল পরিকল্পনাকারী ও খুনি আমাদের নজরদারিতেই আছে। আজকেই এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হবে ইনশাআল্লাহ।"

পুলিশের একটি গোপন সূত্র জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ৩ জনকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, যাদের সাথে ভুক্তভোগী পরিবারের পূর্ব যোগাযোগ ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার সকালে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া এলাকা থেকে দাদি সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ বাড়ির গেটে এবং নাতনি জামিলার বিবস্ত্র মরদেহ পাশের একটি সরিষার খেত থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, মধ্যরাতে কান্নাকাটির শব্দ শুনে তারা বের হলেও পরে পরিস্থিতি শান্ত দেখে ফিরে যান। সকালে এই বীভৎস দৃশ্য দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

নিহত জামিলা আক্তার একজন কোরআনের হাফেজা এবং স্থানীয় দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বাবা ঢাকায় থাকায় সে ছোটবেলা থেকেই দাদির সাথে থাকতো।

পাবনা জেলা পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, পুলিশের একাধিক টিম আলামত সংগ্রহ করে কাজ করছে এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত