জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই একঝাঁক ইফতারসামগ্রী নিয়ে ‘নিরাপদ বৃদ্ধাশ্রমে’ হাজির হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া।
বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের এই বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত অসহায় বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে ইফতার করেন এবং তাদের সুখ-দুঃখের গল্প শোনেন তিনি।
বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা হঠাৎ ইউএনও-কে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ও অবহেলিত এসব মানুষের কাছে এই ইফতার কেবল খাবার নয়, ছিল পরম মমতার ছোঁয়া। বৃদ্ধ আনোয়ার হোসেন ৫ মাস ধরে এখানে আছেন, পরিবারের কেউ খোঁজ না নিলেও ইউএনও’র এই উদ্যোগকে তিনি 'মমতাময়ী মায়ের ভালোবাসা' হিসেবে দেখছেন।
আরেক বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান বলেন, "পরিবার এখানে রেখে গেছে, খোঁজ নেয় না কেউ। আজকে ভালো ইফতার পেয়ে খুব ভালো লাগছে।"
ইফতার শেষে ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন "চাকরি করার সুবাদে আমার নিজের বাবা-মাও আমার সাথে থাকেন না। আজকে এই অসহায় মানুষদের সঙ্গে ইফতার করতে পেরে নিজের বাবা-মায়ের অভাব বোধ করছি। তবে সব সন্তানের প্রতি আমার আহ্বান, কোনো বাবা-মা যেন বৃদ্ধাশ্রমে না থাকেন, সেই দায়িত্ব সন্তানদেরই নিতে হবে।"
তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও এসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান। ইফতার বিতরণের সময় থানার ওসি লুৎফর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই একঝাঁক ইফতারসামগ্রী নিয়ে ‘নিরাপদ বৃদ্ধাশ্রমে’ হাজির হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া।
বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের এই বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত অসহায় বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে ইফতার করেন এবং তাদের সুখ-দুঃখের গল্প শোনেন তিনি।
বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা হঠাৎ ইউএনও-কে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ও অবহেলিত এসব মানুষের কাছে এই ইফতার কেবল খাবার নয়, ছিল পরম মমতার ছোঁয়া। বৃদ্ধ আনোয়ার হোসেন ৫ মাস ধরে এখানে আছেন, পরিবারের কেউ খোঁজ না নিলেও ইউএনও’র এই উদ্যোগকে তিনি 'মমতাময়ী মায়ের ভালোবাসা' হিসেবে দেখছেন।
আরেক বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান বলেন, "পরিবার এখানে রেখে গেছে, খোঁজ নেয় না কেউ। আজকে ভালো ইফতার পেয়ে খুব ভালো লাগছে।"
ইফতার শেষে ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন "চাকরি করার সুবাদে আমার নিজের বাবা-মাও আমার সাথে থাকেন না। আজকে এই অসহায় মানুষদের সঙ্গে ইফতার করতে পেরে নিজের বাবা-মায়ের অভাব বোধ করছি। তবে সব সন্তানের প্রতি আমার আহ্বান, কোনো বাবা-মা যেন বৃদ্ধাশ্রমে না থাকেন, সেই দায়িত্ব সন্তানদেরই নিতে হবে।"
তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও এসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান। ইফতার বিতরণের সময় থানার ওসি লুৎফর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন