সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের শ্রীফলতলা গ্রামে ভোরে নদী থেকে পানি আনতে গিয়ে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় ভোরে নদী থেকে পানি আনতে গিয়ে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
বুধবার (৪ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের শ্রীফলতলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এশার আলীকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ প্রতিদিনের মতো ভোরে করতোয়া নদী থেকে পানি আনতে গিয়েছিলেন। এসময় একই গ্রামের বাসিন্দা এশার আলী তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা উত্তেজিত হয়ে অভিযুক্ত এশার আলীকে আটক করে রাখেন। পরে সংবাদ পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেয়।
শাহজাদপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান "অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।"
ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের শ্রীফলতলা গ্রামে ভোরে নদী থেকে পানি আনতে গিয়ে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় ভোরে নদী থেকে পানি আনতে গিয়ে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
বুধবার (৪ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের শ্রীফলতলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এশার আলীকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ প্রতিদিনের মতো ভোরে করতোয়া নদী থেকে পানি আনতে গিয়েছিলেন। এসময় একই গ্রামের বাসিন্দা এশার আলী তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা উত্তেজিত হয়ে অভিযুক্ত এশার আলীকে আটক করে রাখেন। পরে সংবাদ পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেয়।
শাহজাদপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান "অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।"
ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন