স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন না হওয়া পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মুকসুদপুর পৌরসভা-তেও সম্ভাব্য প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।নিজস্ব প্রতিবেদক
পৌর এলাকার একাংশের বাসিন্দাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে একজন অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে নাগরিক সেবার কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল হতে পারে। তাদের প্রস্তাব, সাবেক প্যানেল মেয়র ও সাবেক পৌর কমিশনার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মিন্টুকে এ দায়িত্ব দেওয়া হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার হবে এবং চলমান প্রকল্পগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সম্পৃক্ততার ফলে তিনি পৌরসভার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সুপরিচিত। তার নেতৃত্বে দায়িত্ব অর্পণ করা হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি জনসেবার মানোন্নয়ন ঘটবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সরকারিভাবে নির্দেশনা পাওয়া সাপেক্ষেই পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
পৌরবাসীর প্রত্যাশা—যোগ্য, অভিজ্ঞ ও কার্যকর নেতৃত্বের মাধ্যমে পৌরসভার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং নাগরিক সেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন না হওয়া পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মুকসুদপুর পৌরসভা-তেও সম্ভাব্য প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।নিজস্ব প্রতিবেদক
পৌর এলাকার একাংশের বাসিন্দাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে একজন অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে নাগরিক সেবার কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল হতে পারে। তাদের প্রস্তাব, সাবেক প্যানেল মেয়র ও সাবেক পৌর কমিশনার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মিন্টুকে এ দায়িত্ব দেওয়া হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার হবে এবং চলমান প্রকল্পগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সম্পৃক্ততার ফলে তিনি পৌরসভার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সুপরিচিত। তার নেতৃত্বে দায়িত্ব অর্পণ করা হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি জনসেবার মানোন্নয়ন ঘটবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সরকারিভাবে নির্দেশনা পাওয়া সাপেক্ষেই পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
পৌরবাসীর প্রত্যাশা—যোগ্য, অভিজ্ঞ ও কার্যকর নেতৃত্বের মাধ্যমে পৌরসভার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং নাগরিক সেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন