টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝপথে ভারতের তারকা ক্রিকেটার রিংকু সিং তার বাবাকে হারান। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান খানচাঁদ সিং। তার মৃত্যু শোক নিয়েই বিশ্বকাপে খেলে গেছেন এই ব্যাটার।
স্পোর্টস ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে যখন পুরো ভারত উৎসবে মাতোয়ারা, তখন এক লড়াকু ক্রিকেটারের চোখে ছিল আনন্দ ও বিষাদের সংমিশ্রণ। তিনি ইশান কিষাণ। ফাইনালের মাত্র দুই দিন আগে নিজের মামাতো বোন ও ভগ্নিপতিকে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় হারিয়েও দেশের জন্য মাঠে নেমেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ ফাইনালে ২৫ বলে ৫৪ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ইশান। শুধু ব্যাট হাতেই নয়, ফিল্ডিংয়েও তিনটি দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি। ম্যাচ শেষে যখন সতীর্থরা উল্লাসে মত্ত, তখন ইশানের শান্ত উদযাপন বলে দিচ্ছিল তার ভেতরের ঝড়ের কথা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইশানের বাবা প্রণভ পান্ডে ছেলের খেলা দেখতে আহমেদাবাদ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু শোকসংবাদ পেয়ে তাকে শিলিগুড়ির মর্গে ছুটতে হয় স্বজনদের মরদেহ নিতে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রণভ পান্ডে বলেন, "আমরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। ইশান আসতে চেয়েছিল, কিন্তু ফাইনালের গুরুত্ব বুঝে তাকে থেকে যেতে হয়েছে।"
এদিন ফিফটি করার পর ইশানের উদযাপনও ছিল ব্যতিক্রমী। ড্রেসিংরুমের পর আকাশের দিকে ব্যাট উঁচিয়ে ধরা ইঙ্গিত দিচ্ছিল—এই ইনিংসটি তিনি তার বিদেহী স্বজনদেরই উৎসর্গ করেছেন। এর আগে এই বিশ্বকাপেই বাবা হারানো রিংকু সিংয়ের শোকাতুর লড়াই দেখেছিল ক্রিকেট বিশ্ব; এবার ইশান কিষাণ প্রমাণ করলেন পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের কাছে ব্যক্তিগত শোক কতটা গৌণ হতে পারে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝপথে ভারতের তারকা ক্রিকেটার রিংকু সিং তার বাবাকে হারান। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান খানচাঁদ সিং। তার মৃত্যু শোক নিয়েই বিশ্বকাপে খেলে গেছেন এই ব্যাটার।
স্পোর্টস ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে যখন পুরো ভারত উৎসবে মাতোয়ারা, তখন এক লড়াকু ক্রিকেটারের চোখে ছিল আনন্দ ও বিষাদের সংমিশ্রণ। তিনি ইশান কিষাণ। ফাইনালের মাত্র দুই দিন আগে নিজের মামাতো বোন ও ভগ্নিপতিকে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় হারিয়েও দেশের জন্য মাঠে নেমেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ ফাইনালে ২৫ বলে ৫৪ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ইশান। শুধু ব্যাট হাতেই নয়, ফিল্ডিংয়েও তিনটি দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি। ম্যাচ শেষে যখন সতীর্থরা উল্লাসে মত্ত, তখন ইশানের শান্ত উদযাপন বলে দিচ্ছিল তার ভেতরের ঝড়ের কথা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইশানের বাবা প্রণভ পান্ডে ছেলের খেলা দেখতে আহমেদাবাদ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু শোকসংবাদ পেয়ে তাকে শিলিগুড়ির মর্গে ছুটতে হয় স্বজনদের মরদেহ নিতে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রণভ পান্ডে বলেন, "আমরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। ইশান আসতে চেয়েছিল, কিন্তু ফাইনালের গুরুত্ব বুঝে তাকে থেকে যেতে হয়েছে।"
এদিন ফিফটি করার পর ইশানের উদযাপনও ছিল ব্যতিক্রমী। ড্রেসিংরুমের পর আকাশের দিকে ব্যাট উঁচিয়ে ধরা ইঙ্গিত দিচ্ছিল—এই ইনিংসটি তিনি তার বিদেহী স্বজনদেরই উৎসর্গ করেছেন। এর আগে এই বিশ্বকাপেই বাবা হারানো রিংকু সিংয়ের শোকাতুর লড়াই দেখেছিল ক্রিকেট বিশ্ব; এবার ইশান কিষাণ প্রমাণ করলেন পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের কাছে ব্যক্তিগত শোক কতটা গৌণ হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন