নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬

ঈদের ছুটিতে কম বাজেটে ঘুরে আসুন দুর্গাপুর ও চন্দ্রডিঙ্গা

ঈদের ছুটিতে কম বাজেটে ঘুরে আসুন দুর্গাপুর ও চন্দ্রডিঙ্গা

ঈদের ছুটি মানেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে একটু অন্যরকম সময় কাটানোর সুযোগ। শহরের কোলাহল পেছনে ফেলে প্রকৃতির কাছে ছুটে যাওয়ার জন্য এ সময়টা যেন সবচেয়ে উপযুক্ত। পাহাড়, নদী আর নির্মল বাতাসে ভরা সবুজ কোনো শান্ত গন্তব্য খুঁজছেন? তাহলে এবারের ঈদ ভ্রমণের ঠিকানা হতে পারে পাহাড়-নদীর মিলনে গড়া নেত্রকোণার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা।


জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোণা

শহরের যান্ত্রিকতা ভুলে ঈদের ছুটিতে প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে খুঁজছেন শান্ত কোনো গন্তব্য? তবে আপনার এবারের গন্তব্য হতে পারে পাহাড়, নদী আর স্বচ্ছ জলের নেত্রকোণা। মাত্র ১-২ দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে এবং সাশ্রয়ী বাজেটে ঘুরে আসতে পারেন নেত্রকোণার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার চন্দ্রডিঙ্গা।

দুর্গাপুর মানেই নীলচে জলের সোমেশ্বরী নদী আর চীনামাটির পাহাড়ের মিতালি। নেত্রকোণা শহর থেকে মাত্র ৩৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জনপদে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে ভ্রমণের জন্য রয়েছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় স্থান:

সাদামাটির পাহাড় (বিজয়পুর): বাংলাদেশের একমাত্র চীনামাটির পাহাড় এটি। পাহাড়ের গায়ে লাল, সাদা ও নীলাভ মাটির বৈচিত্র্য আর পাদদেশের নীলচে জলের লেক পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

সোমেশ্বরী নদী: মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা এই নদীর স্বচ্ছ জল এতটাই পরিষ্কার যে তলদেশের বালি ও নুড়ি পাথর স্পষ্ট দেখা যায়। খেয়া নৌকায় নদী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা হবে অমলিন।

রানীখং ঐতিহাসিক গির্জা: সোমেশ্বরী নদীর তীরে ছোট পাহাড়ের ওপর অবস্থিত এই শতবর্ষী গির্জাটি হাজং ও গারো আদিবাসীদের সংস্কৃতির সাক্ষী।

আদিবাসী গ্রাম: দুর্গাপুরে গারো ও হাজং সম্প্রদায়ের বৈচিত্র্যময় মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা ও তাদের জীবনধারা কাছ থেকে দেখার সুযোগ রয়েছে।

খরচ: ২ দিনের ভ্রমণে থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতসহ জনপ্রতি খরচ হতে পারে ২৭০০ থেকে ৪৮০০ টাকা।


একটু নির্জনতা আর মেঘালয় পাহাড়ের খুব কাছে যেতে চাইলে আপনার পছন্দ হতে পারে কলমাকান্দা উপজেলার চন্দ্রডিঙ্গা। স্থানীয়দের কাছে এটি 'পাঁচগাঁও টিলা' নামেও পরিচিত।

চন্দ্রডিঙ্গা পাহাড়: লোকগাথা অনুযায়ী চাঁদ সওদাগরের নৌকা এখানে ডুবেছিল বলে এর নাম চন্দ্রডিঙ্গা। এখান থেকে ওপার বাংলার মেঘালয় পাহাড়ের সারি দেখা যায়।

সাত শহীদের মাজার: লেংগুরা সীমান্তে গনেশ্বরী নদীর পাশে ১৯৭১ সালের সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সমাধি।

মমিনের টিলা: এই টিলায় উঠলে মেঘ, পাহাড় আর সবুজ প্রকৃতির এক অপূর্ব প্যানোরামিক ভিউ পাওয়া যায়।

খরচ: এক দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে যাতায়াত ও খাবারসহ জনপ্রতি খরচ হতে পারে ১৭০০ থেকে ৩৫০০ টাকা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ঈদের ছুটিতে কম বাজেটে ঘুরে আসুন দুর্গাপুর ও চন্দ্রডিঙ্গা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

ঈদের ছুটি মানেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে একটু অন্যরকম সময় কাটানোর সুযোগ। শহরের কোলাহল পেছনে ফেলে প্রকৃতির কাছে ছুটে যাওয়ার জন্য এ সময়টা যেন সবচেয়ে উপযুক্ত। পাহাড়, নদী আর নির্মল বাতাসে ভরা সবুজ কোনো শান্ত গন্তব্য খুঁজছেন? তাহলে এবারের ঈদ ভ্রমণের ঠিকানা হতে পারে পাহাড়-নদীর মিলনে গড়া নেত্রকোণার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা।


জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোণা

শহরের যান্ত্রিকতা ভুলে ঈদের ছুটিতে প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে খুঁজছেন শান্ত কোনো গন্তব্য? তবে আপনার এবারের গন্তব্য হতে পারে পাহাড়, নদী আর স্বচ্ছ জলের নেত্রকোণা। মাত্র ১-২ দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে এবং সাশ্রয়ী বাজেটে ঘুরে আসতে পারেন নেত্রকোণার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার চন্দ্রডিঙ্গা।

দুর্গাপুর মানেই নীলচে জলের সোমেশ্বরী নদী আর চীনামাটির পাহাড়ের মিতালি। নেত্রকোণা শহর থেকে মাত্র ৩৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জনপদে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে ভ্রমণের জন্য রয়েছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় স্থান:

সাদামাটির পাহাড় (বিজয়পুর): বাংলাদেশের একমাত্র চীনামাটির পাহাড় এটি। পাহাড়ের গায়ে লাল, সাদা ও নীলাভ মাটির বৈচিত্র্য আর পাদদেশের নীলচে জলের লেক পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

সোমেশ্বরী নদী: মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা এই নদীর স্বচ্ছ জল এতটাই পরিষ্কার যে তলদেশের বালি ও নুড়ি পাথর স্পষ্ট দেখা যায়। খেয়া নৌকায় নদী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা হবে অমলিন।

রানীখং ঐতিহাসিক গির্জা: সোমেশ্বরী নদীর তীরে ছোট পাহাড়ের ওপর অবস্থিত এই শতবর্ষী গির্জাটি হাজং ও গারো আদিবাসীদের সংস্কৃতির সাক্ষী।

আদিবাসী গ্রাম: দুর্গাপুরে গারো ও হাজং সম্প্রদায়ের বৈচিত্র্যময় মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা ও তাদের জীবনধারা কাছ থেকে দেখার সুযোগ রয়েছে।

খরচ: ২ দিনের ভ্রমণে থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতসহ জনপ্রতি খরচ হতে পারে ২৭০০ থেকে ৪৮০০ টাকা।


একটু নির্জনতা আর মেঘালয় পাহাড়ের খুব কাছে যেতে চাইলে আপনার পছন্দ হতে পারে কলমাকান্দা উপজেলার চন্দ্রডিঙ্গা। স্থানীয়দের কাছে এটি 'পাঁচগাঁও টিলা' নামেও পরিচিত।

চন্দ্রডিঙ্গা পাহাড়: লোকগাথা অনুযায়ী চাঁদ সওদাগরের নৌকা এখানে ডুবেছিল বলে এর নাম চন্দ্রডিঙ্গা। এখান থেকে ওপার বাংলার মেঘালয় পাহাড়ের সারি দেখা যায়।

সাত শহীদের মাজার: লেংগুরা সীমান্তে গনেশ্বরী নদীর পাশে ১৯৭১ সালের সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সমাধি।

মমিনের টিলা: এই টিলায় উঠলে মেঘ, পাহাড় আর সবুজ প্রকৃতির এক অপূর্ব প্যানোরামিক ভিউ পাওয়া যায়।

খরচ: এক দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে যাতায়াত ও খাবারসহ জনপ্রতি খরচ হতে পারে ১৭০০ থেকে ৩৫০০ টাকা।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত