কুড়িগ্রাম শহর থেকে মাত্র দেড় থেকে দুই কিলোমিটার দূরে, ধরলা নদীর তীরে অবস্থিত ধরলা সেতু এখন অন্যতম আকর্ষণ। নদীর মনোরম পরিবেশ, খোলা আকাশ আর নির্মল বাতাসে বিকেল হলেই এখানে জমে ওঠে স্থানীয় বাসিন্দা ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসুদের ভিড়।
জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম শহর থেকে মাত্র দেড় থেকে দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ধরলা সেতু এখন উত্তরের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ। নদীর মনোরম পরিবেশ, খোলা আকাশ আর নির্মল বাতাসে ঘেরা এই সেতুটি এবারের ঈদেও হাজারো ভ্রমণপিপাসুর ভিড়ে মুখরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০১৮ সালে ২০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৯৫০ মিটার দীর্ঘ এই দৃষ্টিনন্দন সেতুটি শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই সহজ করেনি, বরং ধরলার পাড় ও ফুলবাড়ী উপজেলার দ্বিতীয় ধরলা সেতু এলাকাকে পরিণত করেছে একটি প্রাণবন্ত বিনোদন কেন্দ্রে। বিকেলে নদীর শান্ত স্রোত আর সূর্যাস্তের সোনালি আভা উপভোগ করতে এখানে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে।
নৌকা ভ্রমণ ও ঘোরাঘুরি: দর্শনার্থীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ধরলার বুকে নৌকা ভ্রমণে মেতে ওঠেন। এছাড়া কুড়িগ্রামের বিজিবি পার্ক, ইকো পার্ক এবং উলিপুর উপজেলার জিয়া পুকুরও ঘোরার জন্য বেশ জনপ্রিয়।
খাবার ও কেনাকাটা: নদীর পাড় ঘিরে ইতোমধ্যে ফুচকা-চটপটির দোকান ও শিশুদের খেলনার স্টলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের দিনগুলোতে তাদের বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা: দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিশৃঙ্খলা রোধে পুলিশ ও ডিএসবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহল দেবেন।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কুড়িগ্রামের ধরলা পাড় এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
কুড়িগ্রাম শহর থেকে মাত্র দেড় থেকে দুই কিলোমিটার দূরে, ধরলা নদীর তীরে অবস্থিত ধরলা সেতু এখন অন্যতম আকর্ষণ। নদীর মনোরম পরিবেশ, খোলা আকাশ আর নির্মল বাতাসে বিকেল হলেই এখানে জমে ওঠে স্থানীয় বাসিন্দা ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসুদের ভিড়।
জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম শহর থেকে মাত্র দেড় থেকে দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ধরলা সেতু এখন উত্তরের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ। নদীর মনোরম পরিবেশ, খোলা আকাশ আর নির্মল বাতাসে ঘেরা এই সেতুটি এবারের ঈদেও হাজারো ভ্রমণপিপাসুর ভিড়ে মুখরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০১৮ সালে ২০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৯৫০ মিটার দীর্ঘ এই দৃষ্টিনন্দন সেতুটি শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই সহজ করেনি, বরং ধরলার পাড় ও ফুলবাড়ী উপজেলার দ্বিতীয় ধরলা সেতু এলাকাকে পরিণত করেছে একটি প্রাণবন্ত বিনোদন কেন্দ্রে। বিকেলে নদীর শান্ত স্রোত আর সূর্যাস্তের সোনালি আভা উপভোগ করতে এখানে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে।
নৌকা ভ্রমণ ও ঘোরাঘুরি: দর্শনার্থীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ধরলার বুকে নৌকা ভ্রমণে মেতে ওঠেন। এছাড়া কুড়িগ্রামের বিজিবি পার্ক, ইকো পার্ক এবং উলিপুর উপজেলার জিয়া পুকুরও ঘোরার জন্য বেশ জনপ্রিয়।
খাবার ও কেনাকাটা: নদীর পাড় ঘিরে ইতোমধ্যে ফুচকা-চটপটির দোকান ও শিশুদের খেলনার স্টলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের দিনগুলোতে তাদের বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা: দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিশৃঙ্খলা রোধে পুলিশ ও ডিএসবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহল দেবেন।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কুড়িগ্রামের ধরলা পাড় এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।

আপনার মতামত লিখুন