উপজুড়েই স্বাভাবিক জ্বালানি তেল সরবরাহ, মজুদ তদারকি চলমান
উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসনের তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে আজও উপজেলার একাধিক ফিলিং স্টেশনে গিয়ে জ্বালানি তেলের মজুদ ও বিক্রয় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।স্পেশাল করসপন্ডেন্ট - মো: ছিরু মিয়া
মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবুল হাছনাতের নেতৃত্বে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা স্টেশনগুলোতে গিয়ে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের বর্তমান মজুদের পরিমাণ, সরবরাহের ধারাবাহিকতা এবং বিক্রয় কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় স্টেশন মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হয়।
পরিদর্শন শেষে জানা যায়, বর্তমানে উপজেলায় জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজনীয় তেল সংগ্রহ করতে পারছেন। আজকের দিনেও জনগণের জ্বালানি তেলপ্রাপ্তিতে কোনো ধরনের ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়নি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক রাখতে এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ এড়াতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
স্থানীয়দেরও আশ্বস্ত করে সংশ্লিষ্টরা বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে।
উপজুড়েই স্বাভাবিক জ্বালানি তেল সরবরাহ, মজুদ তদারকি চলমান
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসনের তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে আজও উপজেলার একাধিক ফিলিং স্টেশনে গিয়ে জ্বালানি তেলের মজুদ ও বিক্রয় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।স্পেশাল করসপন্ডেন্ট - মো: ছিরু মিয়া
মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবুল হাছনাতের নেতৃত্বে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা স্টেশনগুলোতে গিয়ে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের বর্তমান মজুদের পরিমাণ, সরবরাহের ধারাবাহিকতা এবং বিক্রয় কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় স্টেশন মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হয়।
পরিদর্শন শেষে জানা যায়, বর্তমানে উপজেলায় জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজনীয় তেল সংগ্রহ করতে পারছেন। আজকের দিনেও জনগণের জ্বালানি তেলপ্রাপ্তিতে কোনো ধরনের ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়নি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক রাখতে এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ এড়াতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
স্থানীয়দেরও আশ্বস্ত করে সংশ্লিষ্টরা বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন