মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরি ঘাটে ফেরি থেকে নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২৪ হাজার লিটার তেলবোঝাই একটি লরি পদ্মা নদীতে ডুবে গেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটলেও ঘটনার ১৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও লরিটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, যশোর থেকে ২৪ হাজার লিটার 'বাম্প ওয়েল' নিয়ে লরিটি (ঝিনাইদহ-ঢ ৪১-০০৪২) নারায়ণগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। দৌলতদিয়া থেকে ফেরি পার হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে নামার সময় পন্টুন থেকে সড়কে ওঠার ঢালু পথে লরিটির ব্রেক বিকল হয়ে যায়। এতে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন দিকে গিয়ে সরাসরি নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা লরির চালক শরীফ ও তার সহকারীকে জীবিত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। বর্তমানে উদ্ধারকারী জাহাজ 'হামজা' ঘটনাস্থলে পৌঁছে লরিটি উদ্ধারে কাজ করছে।
বিআইডব্লিউটিএ-এর আরিচা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, যেখানে লরিটি ডুবেছে সেখানে পানির গভীরতা অনেক বেশি। ডুবুরিরা উদ্ধারকারী জাহাজের ক্রেনের সঙ্গে লরিটিকে বাঁধার চেষ্টা করছেন। পানির গভীরতার কারণে লরিটি টেনে তুলতে সময় লাগছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্যিক শাখার এজিএম মো. সালাম হোসেন এবং শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা জানান, বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি এবং ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরি ঘাটে ফেরি থেকে নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২৪ হাজার লিটার তেলবোঝাই একটি লরি পদ্মা নদীতে ডুবে গেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটলেও ঘটনার ১৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও লরিটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, যশোর থেকে ২৪ হাজার লিটার 'বাম্প ওয়েল' নিয়ে লরিটি (ঝিনাইদহ-ঢ ৪১-০০৪২) নারায়ণগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। দৌলতদিয়া থেকে ফেরি পার হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে নামার সময় পন্টুন থেকে সড়কে ওঠার ঢালু পথে লরিটির ব্রেক বিকল হয়ে যায়। এতে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন দিকে গিয়ে সরাসরি নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা লরির চালক শরীফ ও তার সহকারীকে জীবিত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। বর্তমানে উদ্ধারকারী জাহাজ 'হামজা' ঘটনাস্থলে পৌঁছে লরিটি উদ্ধারে কাজ করছে।
বিআইডব্লিউটিএ-এর আরিচা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, যেখানে লরিটি ডুবেছে সেখানে পানির গভীরতা অনেক বেশি। ডুবুরিরা উদ্ধারকারী জাহাজের ক্রেনের সঙ্গে লরিটিকে বাঁধার চেষ্টা করছেন। পানির গভীরতার কারণে লরিটি টেনে তুলতে সময় লাগছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্যিক শাখার এজিএম মো. সালাম হোসেন এবং শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা জানান, বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি এবং ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন