কথা বলতে গেলেই জড়িয়ে যায় শব্দ, থেমে থেমে বের হয় বাক্য। তোতলামির কারণে স্বাভাবিকভাবে কথা বলা কঠিন তাকমিল উদ্দিন মিকাইলের জন্য। কিন্তু পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শুরু করলেই যেন বদলে যায় সবকিছু।
কথা বলতে গেলে শব্দ জড়িয়ে যায়, প্রতিটি বাক্য বের করতে হয় অনেক কসরত করে। কিন্তু সেই মিকাইলই যখন পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত শুরু করেন, তখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এক মায়াবী সুর।
সাধারণ কথাবার্তায় তীব্র জড়তা থাকলেও কোরআন তিলাওয়াতের সময় যেন এক অলৌকিক পরিবর্তন ঘটে মিকাইলের কণ্ঠে। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের এই বিস্ময়কর প্রতিভা এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।
সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব মোহাম্মদপুর এলাকার তসলিম উদ্দিনের ছেলে তাকমিল উদ্দিন মিকাইল। স্থানীয় তামীরুল উম্মাহ হিফজুল কুরআন মাদরাসা থেকে মাত্র ৭ মাসে পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করেছেন তিনি। বর্তমানে নিজের এলাকাতেই তারাবি নামাজে ইমামতি করছেন এই খুদে হাফেজ।
জড়িয়ে যাওয়া কণ্ঠে মিকাইল জানায়, "ছোটবেলা থেকেই কথা বলতে গেলে আমার কণ্ঠ আটকে যায়। অনেক কষ্ট হয় কথা বলতে। কিন্তু যখনই কোরআন তিলাওয়াত করি, আল্লাহর রহমতে তখন আর কোনো জড়তা থাকে না। সবকিছু সহজ হয়ে যায়।" বড় হয়ে একজন প্রখ্যাত আলেম হওয়ার স্বপ্ন দেখে সে।
মাদরাসা পরিচালক হাফেজ মো. নাছরুল্লাহ তিনি বলেন, "তাকমিলের মধ্যে আল্লাহ তাআলা বিশেষ এক প্রতিভা দিয়েছেন। কথা বলার সময় জড়তা থাকলেও তিলাওয়াতের সময় সে অত্যন্ত সাবলীল ও আত্মবিশ্বাসী।"
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একে 'অলৌকিক' হিসেবে অভিহিত করে বলেন, "জড়তা থাকা সত্ত্বেও তার এই অনর্গল তিলাওয়াত এবং মাত্র ৭ মাসে হাফেজ হওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। সে আমাদের সমাজের গর্ব।"
হাজারো মানুষের কাছে মিকাইলের এই অদম্য ইচ্ছা এখন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
কথা বলতে গেলেই জড়িয়ে যায় শব্দ, থেমে থেমে বের হয় বাক্য। তোতলামির কারণে স্বাভাবিকভাবে কথা বলা কঠিন তাকমিল উদ্দিন মিকাইলের জন্য। কিন্তু পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শুরু করলেই যেন বদলে যায় সবকিছু।
কথা বলতে গেলে শব্দ জড়িয়ে যায়, প্রতিটি বাক্য বের করতে হয় অনেক কসরত করে। কিন্তু সেই মিকাইলই যখন পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত শুরু করেন, তখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এক মায়াবী সুর।
সাধারণ কথাবার্তায় তীব্র জড়তা থাকলেও কোরআন তিলাওয়াতের সময় যেন এক অলৌকিক পরিবর্তন ঘটে মিকাইলের কণ্ঠে। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের এই বিস্ময়কর প্রতিভা এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।
সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব মোহাম্মদপুর এলাকার তসলিম উদ্দিনের ছেলে তাকমিল উদ্দিন মিকাইল। স্থানীয় তামীরুল উম্মাহ হিফজুল কুরআন মাদরাসা থেকে মাত্র ৭ মাসে পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করেছেন তিনি। বর্তমানে নিজের এলাকাতেই তারাবি নামাজে ইমামতি করছেন এই খুদে হাফেজ।
জড়িয়ে যাওয়া কণ্ঠে মিকাইল জানায়, "ছোটবেলা থেকেই কথা বলতে গেলে আমার কণ্ঠ আটকে যায়। অনেক কষ্ট হয় কথা বলতে। কিন্তু যখনই কোরআন তিলাওয়াত করি, আল্লাহর রহমতে তখন আর কোনো জড়তা থাকে না। সবকিছু সহজ হয়ে যায়।" বড় হয়ে একজন প্রখ্যাত আলেম হওয়ার স্বপ্ন দেখে সে।
মাদরাসা পরিচালক হাফেজ মো. নাছরুল্লাহ তিনি বলেন, "তাকমিলের মধ্যে আল্লাহ তাআলা বিশেষ এক প্রতিভা দিয়েছেন। কথা বলার সময় জড়তা থাকলেও তিলাওয়াতের সময় সে অত্যন্ত সাবলীল ও আত্মবিশ্বাসী।"
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একে 'অলৌকিক' হিসেবে অভিহিত করে বলেন, "জড়তা থাকা সত্ত্বেও তার এই অনর্গল তিলাওয়াত এবং মাত্র ৭ মাসে হাফেজ হওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। সে আমাদের সমাজের গর্ব।"
হাজারো মানুষের কাছে মিকাইলের এই অদম্য ইচ্ছা এখন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন