সৌদি আরবের যুবরাজ কিং সালমান হিউম্যানিটিরিয়ান অ্যাইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুরের মধ্যে ২০ কার্টন খেজুর উধাও হয়ে গেছে।
জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা
সৌদি আরবের 'কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার' থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ৫২০ কার্টন খেজুরের মধ্যে ২০ কার্টনের কোনো হদিস মিলছে না। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেওয়া হলেও জেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে মাত্র ৫০০ কার্টন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো কুমিল্লার জন্য বরাদ্দ ৫২০ কার্টন হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। গত ৮ মার্চ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ১৭টি উপজেলায় মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বণ্টন করা হয়। বাকি ২০ কার্টনের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী জানান, তাদের কাছে ৫০০ কার্টনই এসেছিল এবং অধিদপ্তরের তালিকায় ভুল ছিল যা পরে সংশোধন করা হয়েছে। তবে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো আগের তথ্যই দৃশ্যমান।
গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার এলাকায় ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার তথ্য জানান। এরপরই জেলাজুড়ে খেজুরের হিসাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, সরকারি নথিতে থাকা বাকি ২০ কার্টন খেজুর ঢাকা থেকে কুমিল্লা পৌঁছানোর আগেই কোথায় উধাও হলো?
এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের যুবরাজ কিং সালমান হিউম্যানিটিরিয়ান অ্যাইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুরের মধ্যে ২০ কার্টন খেজুর উধাও হয়ে গেছে।
জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা
সৌদি আরবের 'কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার' থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ৫২০ কার্টন খেজুরের মধ্যে ২০ কার্টনের কোনো হদিস মিলছে না। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেওয়া হলেও জেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে মাত্র ৫০০ কার্টন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো কুমিল্লার জন্য বরাদ্দ ৫২০ কার্টন হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। গত ৮ মার্চ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ১৭টি উপজেলায় মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বণ্টন করা হয়। বাকি ২০ কার্টনের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী জানান, তাদের কাছে ৫০০ কার্টনই এসেছিল এবং অধিদপ্তরের তালিকায় ভুল ছিল যা পরে সংশোধন করা হয়েছে। তবে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো আগের তথ্যই দৃশ্যমান।
গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার এলাকায় ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার তথ্য জানান। এরপরই জেলাজুড়ে খেজুরের হিসাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, সরকারি নথিতে থাকা বাকি ২০ কার্টন খেজুর ঢাকা থেকে কুমিল্লা পৌঁছানোর আগেই কোথায় উধাও হলো?
এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন