কক্সবাজারের উখিয়ায় গৃহবধূ জদিদা আক্তার (২২) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। মাত্র ৫০০ টাকা ধার না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের ভাবিকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন দেবর নুর শাহিন (১৮)। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘাতক দেবরকে গ্রেপ্তারের পর এই চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের মুছারখোলা এলাকায় নিজ ঘর থেকে জদিদার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্বামী শফিকুল ইসলাম কাজের সন্ধানে বান্দরবানে থাকায় জদিদা সন্তানদের নিয়ে বাড়িতেই ছিলেন। সেহরির সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত ছিল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা উখিয়া থানার এসআই আব্দুল আজাদ জানান, এটি একটি 'ক্লু-লেস' মামলা ছিল। তবে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গয়ালমারা এলাকা থেকে নুর শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহিন স্বীকার করেন যে, ভাবির কাছে ৫০০ টাকা ধার চেয়ে না পাওয়ায় তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ২১ ইঞ্চি লম্বা দা উদ্ধার করে পুলিশ।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, শুক্রবার বিকেলে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ায় গৃহবধূ জদিদা আক্তার (২২) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। মাত্র ৫০০ টাকা ধার না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের ভাবিকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন দেবর নুর শাহিন (১৮)। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘাতক দেবরকে গ্রেপ্তারের পর এই চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের মুছারখোলা এলাকায় নিজ ঘর থেকে জদিদার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্বামী শফিকুল ইসলাম কাজের সন্ধানে বান্দরবানে থাকায় জদিদা সন্তানদের নিয়ে বাড়িতেই ছিলেন। সেহরির সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত ছিল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা উখিয়া থানার এসআই আব্দুল আজাদ জানান, এটি একটি 'ক্লু-লেস' মামলা ছিল। তবে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গয়ালমারা এলাকা থেকে নুর শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহিন স্বীকার করেন যে, ভাবির কাছে ৫০০ টাকা ধার চেয়ে না পাওয়ায় তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ২১ ইঞ্চি লম্বা দা উদ্ধার করে পুলিশ।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, শুক্রবার বিকেলে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন