নেত্রকোণার খালিয়াজুরী ও দুর্গাপুর উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন কৃষক এবং অন্যজন পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন।
নিহতরা হলেন—খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া গ্রামের সুদিন সরকার (৪৩) এবং দুর্গাপুর উপজেলার আলমপুর গ্রামের আকাশ মিয়া (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে খালিয়াজুরীর নলসিটি হাওরে গরুকে ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন কৃষক সুদিন সরকার। বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, দুর্গাপুর উপজেলার রাজমিস্ত্রী আকাশ মিয়া কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর বজ্রপাতের শিকার হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ধানখেতের পাশে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নেত্রকোণার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সুখময় সরকার জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান এবং শুকনো খাবার প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
নেত্রকোণার খালিয়াজুরী ও দুর্গাপুর উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন কৃষক এবং অন্যজন পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন।
নিহতরা হলেন—খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া গ্রামের সুদিন সরকার (৪৩) এবং দুর্গাপুর উপজেলার আলমপুর গ্রামের আকাশ মিয়া (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে খালিয়াজুরীর নলসিটি হাওরে গরুকে ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন কৃষক সুদিন সরকার। বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, দুর্গাপুর উপজেলার রাজমিস্ত্রী আকাশ মিয়া কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর বজ্রপাতের শিকার হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ধানখেতের পাশে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নেত্রকোণার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সুখময় সরকার জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান এবং শুকনো খাবার প্রদান করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন