জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নে দুস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে সরকারি ভিজিএফের চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যেক উপকারভোগীকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও সেখানে ৯ কেজি থেকে ৯ কেজি ৫০০ গ্রাম করে চাল দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ উপকারভোগীরা।
জামালপুরের মেলান্দহের নয়া নগর ইউনিয়নে দুস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যেক উপকারভোগীকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও নয় কেজি থেকে ৯ কেজি ৫০০ গ্রাম করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন উপকারভোগী।
[caption id="attachment_23788" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
পরিষদে গিয়ে দেখা গেছে, নয়ানগর ইউনিয়নে ৩৬০০ দুস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণের জন্য মাষ্টার রোল তৈরি করেন ইউপি সদস্য ও প্রশাসক । শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে চাল বিতরণ শুরু করেন প্রশাসক শবনম মুস্তারী। দুপুর ২ টা থেকে গ্রাম পুলিশদের ব্যবহার করে একের পর এক সাদা প্লাষ্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির জন্য বাহিরে প্রেরণ করেন।প্রত্যেক বস্তায় ৫ জনের কার্ডের চাল দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের দেখে তিনি চাল পাচার করা বন্ধ করেন।
চাল নিতে আসা একাধিক ব্যক্তি জানান, সরকারিভাবে ১০ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও তাদের ৯ কেজি ৪০০/৫০০ গ্রাম করে চাল দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে নয়ানগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বে থাকা শবনম মুস্তারী বলেন,আমার ইউনিয়নে ৩৬০০ জন ব্যক্তির মধ্যে চাল বিতরণ করা হবে। আজ শনিবার ১,২,৩ ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের মোট ১২০০ কার্ড ধারীদের মধ্য চাল বিতরণ করা হয়েছে। চালের পরিমাণ কিছুটা কম থাকতে পারে। ওজনে সামান্য কমবেশি হতে পারে। সরকার থেকে যে পরিমাণ ভিজিএফ চাল পাওয়া যায়, তা উপকারভোগীদের মধ্যেই বিতরণ করা হচ্ছে। আমরা সাড়ে নয় কেজি করে চাল বিতরণ করতেছি।এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিন্নাতুল আরা বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদ উপলক্ষে দুস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা। কোনোভাবে ১০ কেজির কম দেওয়ার সুযোগ নেই। আমি খোজ খবর নিচ্ছি। ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করার নির্দেশনা দিচ্ছি।
আপনার মতামত লিখুন