নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার একটি গ্রামে তরকা রোগে আক্রান্ত একটি গরু জবাই করে তার মাংস খাওয়ার পর অন্তত ১০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় তরকা রোগে আক্রান্ত গরুর মাংস খেয়ে অন্তত ১২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোড়ার মতো ক্ষত দেখা দিয়েছে।
গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ শুক্রবার এলাকায় একটি মেডিকেল টিম আসার কথা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের চলনালী গ্রামের আব্দুল গফুর সরকারের একটি গরু প্রায় এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ পেটফাঁপা রোগে আক্রান্ত হয়। পরে গ্রামের কয়েকজন মিলে গরুটি জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করে নেন। ওই মাংস কাটা, রান্না ও খাওয়ার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে কয়েকদিন পর অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দেয়। আক্রান্তদের শরীরে ফোড়া ও প্রচণ্ড শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিয়েছে।
অসুস্থদের মধ্যে চলনালী গ্রামের রহিম, মোস্তফা, আসাদ, ছানা, রাহুল ও লাভলীসহ ১২ জনের নাম জানা গেছে। এদের মধ্যে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমাছ আলী জানান, প্রাথমিক অবস্থায় ধারণা করা হচ্ছে আক্রান্তরা তরকা রোগে (Anthrax) ভুগছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রোকনুজ্জামান বলেন, "অসুস্থ গরু জবাইয়ের বিষয়টি আগে আমাদের জানানো হয়নি। আমরা খবর পেয়ে অবশিষ্টাংশ মাংস উদ্ধার করে মাটিতে পুঁতে ফেলেছি।" তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় ইতোমধ্যে দুই হাজার গরুকে তরকা রোগের টিকা দেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব গবাদিপশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে। ভবিষ্যতে কোনো পশু অসুস্থ হলে গোপনে জবাই না করে প্রাণিসম্পদ দপ্তরে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার একটি গ্রামে তরকা রোগে আক্রান্ত একটি গরু জবাই করে তার মাংস খাওয়ার পর অন্তত ১০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় তরকা রোগে আক্রান্ত গরুর মাংস খেয়ে অন্তত ১২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোড়ার মতো ক্ষত দেখা দিয়েছে।
গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ শুক্রবার এলাকায় একটি মেডিকেল টিম আসার কথা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের চলনালী গ্রামের আব্দুল গফুর সরকারের একটি গরু প্রায় এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ পেটফাঁপা রোগে আক্রান্ত হয়। পরে গ্রামের কয়েকজন মিলে গরুটি জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করে নেন। ওই মাংস কাটা, রান্না ও খাওয়ার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে কয়েকদিন পর অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দেয়। আক্রান্তদের শরীরে ফোড়া ও প্রচণ্ড শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিয়েছে।
অসুস্থদের মধ্যে চলনালী গ্রামের রহিম, মোস্তফা, আসাদ, ছানা, রাহুল ও লাভলীসহ ১২ জনের নাম জানা গেছে। এদের মধ্যে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমাছ আলী জানান, প্রাথমিক অবস্থায় ধারণা করা হচ্ছে আক্রান্তরা তরকা রোগে (Anthrax) ভুগছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রোকনুজ্জামান বলেন, "অসুস্থ গরু জবাইয়ের বিষয়টি আগে আমাদের জানানো হয়নি। আমরা খবর পেয়ে অবশিষ্টাংশ মাংস উদ্ধার করে মাটিতে পুঁতে ফেলেছি।" তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় ইতোমধ্যে দুই হাজার গরুকে তরকা রোগের টিকা দেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব গবাদিপশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে। ভবিষ্যতে কোনো পশু অসুস্থ হলে গোপনে জবাই না করে প্রাণিসম্পদ দপ্তরে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন