পোস্টার-ব্যানারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নিচ্ছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১ নম্বর কেন্দুয়া, ২ নম্বর শরীফপুর, ৩ নম্বর লক্ষীরচর, ৪ নম্বর তুরসীরচর, ৫ নম্বর ইটাইল, ৬ নম্বর নরুন্দি, ৭ নম্বর ঘোড়াধাপ, ৮ নম্বর বাঁশচড়া, ৯ নম্বর রানাগাছা, ১০ নম্বর শ্রীপুর, ১১ নম্বর শাহবাজপুর, ১২ নম্বর তিতপল্লা, ১৩ নম্বর মেষ্টা, ১৪ নম্বর দিগপাইত ও ১৫ নম্বর রশিদপুর ইউনিয়নের প্রায় ৩৮৫টি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।
গণসংযোগকালে তিনি এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এলাকাবাসীর একটি অংশ তাকে নিয়ে নতুন আশার কথা বলছেন বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রুহুল আমীন মিলন বলেন, “আমি নির্বাচিত হওয়া মানে সাধারণ মানুষ নির্বাচিত হওয়া।” তিনি বলেন, সদর উপজেলায় শিক্ষা, চিকিৎসা ও সরকারি সুবিধা যেন প্রকৃত প্রাপকের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জামালপুর সদর উপজেলার সুনাম বৃদ্ধিতেও কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
স্থানীয় নবীন-প্রবীণ অনেকেই তার গণসংযোগ কার্যক্রমের প্রশংসা করছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
পোস্টার-ব্যানারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নিচ্ছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১ নম্বর কেন্দুয়া, ২ নম্বর শরীফপুর, ৩ নম্বর লক্ষীরচর, ৪ নম্বর তুরসীরচর, ৫ নম্বর ইটাইল, ৬ নম্বর নরুন্দি, ৭ নম্বর ঘোড়াধাপ, ৮ নম্বর বাঁশচড়া, ৯ নম্বর রানাগাছা, ১০ নম্বর শ্রীপুর, ১১ নম্বর শাহবাজপুর, ১২ নম্বর তিতপল্লা, ১৩ নম্বর মেষ্টা, ১৪ নম্বর দিগপাইত ও ১৫ নম্বর রশিদপুর ইউনিয়নের প্রায় ৩৮৫টি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।
গণসংযোগকালে তিনি এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এলাকাবাসীর একটি অংশ তাকে নিয়ে নতুন আশার কথা বলছেন বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রুহুল আমীন মিলন বলেন, “আমি নির্বাচিত হওয়া মানে সাধারণ মানুষ নির্বাচিত হওয়া।” তিনি বলেন, সদর উপজেলায় শিক্ষা, চিকিৎসা ও সরকারি সুবিধা যেন প্রকৃত প্রাপকের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জামালপুর সদর উপজেলার সুনাম বৃদ্ধিতেও কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
স্থানীয় নবীন-প্রবীণ অনেকেই তার গণসংযোগ কার্যক্রমের প্রশংসা করছেন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন