পিরোজপুরের নেছারাবাদে নারী ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠি গ্রামের সন্ধ্যা নদীর পাড়ে একটি ইটভাটার পাশে এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুইজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জেলা প্রতিনিধি, পিরোজপুর
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মাদক ও নারী সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গোপাল চন্দ্র দাস (৪৫) নামে এক ট্রাক চালককে পরিকল্পিতভাবে শিরচ্ছেদ করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান দুই অভিযুক্তকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮ ও পুলিশ।
গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠি গ্রামে সন্ধ্যা নদীর পাড়ে একটি ইটভাটার পাশে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। ঘাতকরা গোপালকে হত্যার পর তার মাথা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলে দেয়। ওই দিন বিকেলেই পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিহতের ভাই মানিক চন্দ্র দাস একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: ১. তরিকুল ইসলাম ওরফে সম্রাট (৩৪): বরিশালের কাশিপুর এলাকার বাসিন্দা ও ওষুধ ব্যবসায়ী। ২. আবেদিন মাঝি ওরফে রাজু (৪২): পিরোজপুরের দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা ও পেশাদার মাদককারবারি।
ইটভাটার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার দিন দুপুর ৩টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে তিনজন ওই এলাকায় প্রবেশ করেন। এর কিছুক্ষণ পর রাজু ও সম্রাট মোটরসাইকেলে করে ফিরে গেলেও গোপাল আর ফেরেননি। এই ফুটেজ বিশ্লেষণ করে র্যাব সদস্যরা শনিবার বরিশাল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও একটি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) পিরোজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান:
"নিহত ও গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। নারী ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড। হত্যার পর মাথা ও অস্ত্র নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে, যা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে নারী ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠি গ্রামের সন্ধ্যা নদীর পাড়ে একটি ইটভাটার পাশে এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুইজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জেলা প্রতিনিধি, পিরোজপুর
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মাদক ও নারী সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গোপাল চন্দ্র দাস (৪৫) নামে এক ট্রাক চালককে পরিকল্পিতভাবে শিরচ্ছেদ করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান দুই অভিযুক্তকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮ ও পুলিশ।
গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠি গ্রামে সন্ধ্যা নদীর পাড়ে একটি ইটভাটার পাশে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। ঘাতকরা গোপালকে হত্যার পর তার মাথা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলে দেয়। ওই দিন বিকেলেই পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিহতের ভাই মানিক চন্দ্র দাস একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: ১. তরিকুল ইসলাম ওরফে সম্রাট (৩৪): বরিশালের কাশিপুর এলাকার বাসিন্দা ও ওষুধ ব্যবসায়ী। ২. আবেদিন মাঝি ওরফে রাজু (৪২): পিরোজপুরের দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা ও পেশাদার মাদককারবারি।
ইটভাটার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার দিন দুপুর ৩টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে তিনজন ওই এলাকায় প্রবেশ করেন। এর কিছুক্ষণ পর রাজু ও সম্রাট মোটরসাইকেলে করে ফিরে গেলেও গোপাল আর ফেরেননি। এই ফুটেজ বিশ্লেষণ করে র্যাব সদস্যরা শনিবার বরিশাল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও একটি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) পিরোজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান:
"নিহত ও গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। নারী ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড। হত্যার পর মাথা ও অস্ত্র নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে, যা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।"

আপনার মতামত লিখুন