জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর
শেরপুরের নকলায় ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নাজিফ (১২) নামে এক মাদ্রাসাছাত্র নিহত হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের নকলা কুর্শা বাইপাস মোড় এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজিফ জামালপুর সদর উপজেলার মাস্টারবাড়ি এলাকার পুলিশ কনস্টেবল নজরুল ইসলামের ছেলে। এই ঘটনায় নাজিফের মা, ভাই-বোন ও চালকসহ আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহের তারাকান্দি থানায় পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। ঈদ উপলক্ষে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা সিএনজি অটোরিকশায় করে ময়মনসিংহ থেকে জামালপুরের গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। বেলা পৌনে ১২টার দিকে নকলা কুর্শা বাইপাস মোড়ে ঢাকাগামী একটি দ্রুতগতির বাস অন্য একটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নাজিফের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় নাজিফের মা সুমি আক্তার (৩৭), ভাই নাহিদ (৮), বোন নওশিন (১৫) এবং অটোরিকশা চালক (৪৮) গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে সুমি আক্তার ও নাহিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর
শেরপুরের নকলায় ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নাজিফ (১২) নামে এক মাদ্রাসাছাত্র নিহত হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের নকলা কুর্শা বাইপাস মোড় এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজিফ জামালপুর সদর উপজেলার মাস্টারবাড়ি এলাকার পুলিশ কনস্টেবল নজরুল ইসলামের ছেলে। এই ঘটনায় নাজিফের মা, ভাই-বোন ও চালকসহ আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহের তারাকান্দি থানায় পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। ঈদ উপলক্ষে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা সিএনজি অটোরিকশায় করে ময়মনসিংহ থেকে জামালপুরের গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। বেলা পৌনে ১২টার দিকে নকলা কুর্শা বাইপাস মোড়ে ঢাকাগামী একটি দ্রুতগতির বাস অন্য একটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নাজিফের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় নাজিফের মা সুমি আক্তার (৩৭), ভাই নাহিদ (৮), বোন নওশিন (১৫) এবং অটোরিকশা চালক (৪৮) গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে সুমি আক্তার ও নাহিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন