২০২৩ সালে মাত্র ছয় শতক জমিতে আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে স্ট্রবেরির আবাদ শুরু করেন হাবিব মিয়া। প্রথম বছরেই দ্বিগুণ লাভ হওয়াতে কৃষিনির্ভর তরুণ এই উদ্যোক্তা ঝেড়ে ফেলেন হতাশা।
মাত্র ছয় শতক জমি থেকে শুরু করে এখন ৪০ শতক। ইউটিউব দেখে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি 'মালচিং' পদ্ধতি ব্যবহার করে স্ট্রবেরি চাষে রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়েছেন রংপুরের তরুণ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী হাবিব মিয়া। তার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে এলাকার অন্য বেকার যুবক ও কৃষকরাও এখন স্ট্রবেরি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
রংপুর নগরীর খালিশাকুড়ি সবুজপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাবিব মিয়া ২০২৩ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ৭০০ চারা দিয়ে চাষ শুরু করেন। প্রথম বছরেই ২৫-৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে দ্বিগুণ মুনাফা পাওয়ায় তার উৎসাহ বেড়ে যায়। চলতি মৌসুমে তিনি ৪০ শতক জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আবাদ করেছেন। দেড় লাখ টাকা উৎপাদন খরচ হলেও ইতোমধ্যে তিনি তিন লাখ টাকার স্ট্রবেরি বিক্রি করেছেন। বর্তমানে তার বাগানে ১০ জন স্থানীয় নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

বাজারের বাসি বা পচা স্ট্রবেরির ভিড়ে হাবিবের বাগান থেকে সরাসরি তাজা ফল সংগ্রহ করতে পারছেন ক্রেতারা। সরাসরি বাগান থেকে ফল তোলার অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ শহর থেকে আসা দর্শনার্থীরাও। স্থানীয় কৃষক শফিকুল জানান, হাবিবের সাফল্য দেখে তিনিও আগামীতে স্ট্রবেরি চাষের পরিকল্পনা করছেন।
আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে প্লাস্টিক বা জৈব পর্দা দিয়ে মাটির উপরিভাগ ঢেকে দেওয়া হয়, যা আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং আগাছা দমন করে। হাবিব জানান, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চারা রোপণ করলে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়। তবে ফলন আরও বাড়াতে তিনি সরকারি কারিগরি সহায়তা ও গ্রিনহাউস সুবিধার প্রত্যাশা করেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সিরাজুল ইসলাম জানান, তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিলে স্ট্রবেরির মতো উচ্চমূল্যের ফলের উৎপাদনশীলতা কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
২০২৩ সালে মাত্র ছয় শতক জমিতে আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে স্ট্রবেরির আবাদ শুরু করেন হাবিব মিয়া। প্রথম বছরেই দ্বিগুণ লাভ হওয়াতে কৃষিনির্ভর তরুণ এই উদ্যোক্তা ঝেড়ে ফেলেন হতাশা।
মাত্র ছয় শতক জমি থেকে শুরু করে এখন ৪০ শতক। ইউটিউব দেখে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি 'মালচিং' পদ্ধতি ব্যবহার করে স্ট্রবেরি চাষে রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়েছেন রংপুরের তরুণ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী হাবিব মিয়া। তার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে এলাকার অন্য বেকার যুবক ও কৃষকরাও এখন স্ট্রবেরি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
রংপুর নগরীর খালিশাকুড়ি সবুজপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাবিব মিয়া ২০২৩ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ৭০০ চারা দিয়ে চাষ শুরু করেন। প্রথম বছরেই ২৫-৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে দ্বিগুণ মুনাফা পাওয়ায় তার উৎসাহ বেড়ে যায়। চলতি মৌসুমে তিনি ৪০ শতক জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আবাদ করেছেন। দেড় লাখ টাকা উৎপাদন খরচ হলেও ইতোমধ্যে তিনি তিন লাখ টাকার স্ট্রবেরি বিক্রি করেছেন। বর্তমানে তার বাগানে ১০ জন স্থানীয় নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

বাজারের বাসি বা পচা স্ট্রবেরির ভিড়ে হাবিবের বাগান থেকে সরাসরি তাজা ফল সংগ্রহ করতে পারছেন ক্রেতারা। সরাসরি বাগান থেকে ফল তোলার অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ শহর থেকে আসা দর্শনার্থীরাও। স্থানীয় কৃষক শফিকুল জানান, হাবিবের সাফল্য দেখে তিনিও আগামীতে স্ট্রবেরি চাষের পরিকল্পনা করছেন।
আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে প্লাস্টিক বা জৈব পর্দা দিয়ে মাটির উপরিভাগ ঢেকে দেওয়া হয়, যা আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং আগাছা দমন করে। হাবিব জানান, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চারা রোপণ করলে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়। তবে ফলন আরও বাড়াতে তিনি সরকারি কারিগরি সহায়তা ও গ্রিনহাউস সুবিধার প্রত্যাশা করেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সিরাজুল ইসলাম জানান, তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিলে স্ট্রবেরির মতো উচ্চমূল্যের ফলের উৎপাদনশীলতা কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন