গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি)-এর বাংলা বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দীপা দাসের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরের ঘোনাপাড়া এলাকায় তার নিজ বাসভবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।স্টাফ রিপোর্টার: মো: নিয়ামুল ইসলাম
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে বিকেলে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে তিনি স্বামীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে পাশের কক্ষে যান। পরে দীর্ঘ সময় সাড়া না পেয়ে স্বামী বাড়ির দারোয়ানের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
সহপাঠীরা জানান, কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে পারিবারিক কলহের জেরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এক সহপাঠী বলেন, দীপা অত্যন্ত মেধাবী ও ভদ্র স্বভাবের ছিলেন এবং পড়াশোনায়ও ভালো ছিলেন। তার এমন মৃত্যুতে সহপাঠী ও বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি)-এর বাংলা বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দীপা দাসের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরের ঘোনাপাড়া এলাকায় তার নিজ বাসভবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।স্টাফ রিপোর্টার: মো: নিয়ামুল ইসলাম
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে বিকেলে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে তিনি স্বামীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে পাশের কক্ষে যান। পরে দীর্ঘ সময় সাড়া না পেয়ে স্বামী বাড়ির দারোয়ানের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
সহপাঠীরা জানান, কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে পারিবারিক কলহের জেরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এক সহপাঠী বলেন, দীপা অত্যন্ত মেধাবী ও ভদ্র স্বভাবের ছিলেন এবং পড়াশোনায়ও ভালো ছিলেন। তার এমন মৃত্যুতে সহপাঠী ও বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন