নাটোরের লালপুরে সিমেন্ট কেনাবেচা নিয়ে বিরোধের জেরে এক দোকানির মারধরে আব্দুস সামাদ (৪০) নামের এক ক্রেতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নাটোরের লালপুরে সিমেন্ট কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে দোকানির মারধরে গুরুতর আহত ক্রেতা আব্দুস সামাদ (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত আব্দুস সামাদ উপজেলার কদিমচিলান ইউনিয়নের শেখচিলান গ্রামের মোমিন মন্ডলের ছেলে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সিমেন্ট কেনাবেচা নিয়ে ব্যবসায়ী রুহুল আমিনের সঙ্গে সামাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রুহুল আমিন লোহার রড দিয়ে সামাদের মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই আজ তার মৃত্যু হয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, নিহতের বাবা মোমিন মণ্ডল বাদী হয়ে ব্যবসায়ী রুহুল আমিন, তার ছোট ভাই তরিকুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত তরিকুল ইসলামকে আটক করেছে। মূল অভিযুক্ত রুহুল আমিনসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
নাটোরের লালপুরে সিমেন্ট কেনাবেচা নিয়ে বিরোধের জেরে এক দোকানির মারধরে আব্দুস সামাদ (৪০) নামের এক ক্রেতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নাটোরের লালপুরে সিমেন্ট কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে দোকানির মারধরে গুরুতর আহত ক্রেতা আব্দুস সামাদ (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত আব্দুস সামাদ উপজেলার কদিমচিলান ইউনিয়নের শেখচিলান গ্রামের মোমিন মন্ডলের ছেলে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সিমেন্ট কেনাবেচা নিয়ে ব্যবসায়ী রুহুল আমিনের সঙ্গে সামাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রুহুল আমিন লোহার রড দিয়ে সামাদের মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই আজ তার মৃত্যু হয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, নিহতের বাবা মোমিন মণ্ডল বাদী হয়ে ব্যবসায়ী রুহুল আমিন, তার ছোট ভাই তরিকুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত তরিকুল ইসলামকে আটক করেছে। মূল অভিযুক্ত রুহুল আমিনসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন