উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ডুমুরিয়ায় খাল খননের ফলে কৃষকরা সহজেই সেচ সুবিধা পাবেন। পানির অভাবে কোনো জমি যেন অনাবাদি না থাকে, সেদিকে সরকার বিশেষ নজর দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, খাল খনন কাজে একটি টাকাও অপচয় হতে দেওয়া হবে না এবং কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ফসল রক্ষা করাই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি শুকনো মৌসুমে ব্যবহারের জন্য পানি সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৪টি জেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এর মাধ্যমে সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
অনুষ্ঠানে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। অতীতে জিয়াউর রহমানের আমলে খাল খনন কর্মসূচি গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
১৭ মার্চ দুপুর ১২টায় গুটুদিয়া ইউনিয়নের টিয়াবুনিয়া এলাকায় সুইচগেট সংলগ্ন স্থানে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমদ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক (পিপিএম), খুলনা জেলা প্রশাসক আসমা জামশেদ খোন্দকার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এসএম মনিরুল ইসলাম বাপ্পী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মো. আবুল বাশার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম সরদার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠান শেষে হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ সাবিতা সরকার।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ডুমুরিয়ায় খাল খননের ফলে কৃষকরা সহজেই সেচ সুবিধা পাবেন। পানির অভাবে কোনো জমি যেন অনাবাদি না থাকে, সেদিকে সরকার বিশেষ নজর দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, খাল খনন কাজে একটি টাকাও অপচয় হতে দেওয়া হবে না এবং কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ফসল রক্ষা করাই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি শুকনো মৌসুমে ব্যবহারের জন্য পানি সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৪টি জেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এর মাধ্যমে সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
অনুষ্ঠানে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। অতীতে জিয়াউর রহমানের আমলে খাল খনন কর্মসূচি গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
১৭ মার্চ দুপুর ১২টায় গুটুদিয়া ইউনিয়নের টিয়াবুনিয়া এলাকায় সুইচগেট সংলগ্ন স্থানে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমদ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক (পিপিএম), খুলনা জেলা প্রশাসক আসমা জামশেদ খোন্দকার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এসএম মনিরুল ইসলাম বাপ্পী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মো. আবুল বাশার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম সরদার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠান শেষে হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ সাবিতা সরকার।

আপনার মতামত লিখুন